Type Here to Get Search Results !

পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের সময় এসেছে বুঝবেন কি করে?

 ধর্মতত্ত্ব




   ভারতীয় ধর্মতত্ত্ব বলছে জীবাত্মা ধীরে ধীরে পরমাত্মার দিকে এগিয়ে যায়। শেষে এক সময় তাদের মিলন ঘটে। কিন্তু একজন মানুষ কি করে বুঝবে যে তিনি পরমাত্মার স্বাদ পেতে চলেছেন। এই বিষয়ে ভারতীয় ধর্মতত্ত্ব কতগুলো ইঙ্গিতের কথা বলেন। যেমন - 


  * এই জাগরণের প্রাথমিক লক্ষণ হল একাকিত্বকে ভালোবাসা। সাধারণত মানুষ একা থাকতে ভয় পায়। অন্যের উপর বেশি নির্ভরশীল হয়। কিন্তু আধ্যাত্মিক জাগরণে নারী নির্জনতাকে পরম বন্ধু মনে করেন। একা বসে খাবার খাওয়া, বই পড়া বা উদ্দেশ্যহীন ভাবে একা ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেই তিনি খুঁজে পান আত্মিক প্রশান্তি। 


  * মহাজাগতিক শক্তির সঙ্গে গভীর সংযোগ। এই নারীরা কেবল মন্দিরে বা উপাসনাগৃহেই ঈশ্বরের অস্তিত্ব অনুভব করেন না। বরং নিজের মধ্যে পরমাত্মার যোগ আবিষ্কার করেন। একই দেহে পরমাত্মা ও জীবাত্মার ভাব জেগে ওঠে। ঘোর বিপদে পড়লে বা নির্জন রাস্তায় হাঁটলেও তাঁরা যেন অনুভব করেন কোনও এক দৈব শক্তি তাঁদের হাত ধরে আছে।


  * মানুষের চারিত্রিক কম্পন বা ভাইব্রেশন বোঝার অদ্ভুত ক্ষমতা। আধ্যাত্মিকভাবে উন্নত নারী কয়েক মিনিট কথা বললেই বুঝতে পারেন সামনের মানুষটি তাঁর জন্য শুভ না অশুভ। নেতিবাচক মানুষ তাঁর মনে উদ্বেগ তৈরি করে, আর ইতিবাচক মানুষ নিমেষে কমিয়ে দেয় মনের অস্থিরতা। শুভ ও অশুভ শক্তির উপস্থিতি খুব সহজেই টের পান এই প্রকৃতির নারীরা।


  * এঁদের মধ্যে এক প্রবল দৈব তেজ বিরাজ করে। তাঁরা শান্ত ও নম্র হলেও তাঁদের শক্তির পরীক্ষা নেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। তাঁরা অন্যের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন না, কিন্তু কেউ তাঁর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে এক অলৌকিক দৃঢ়তায় তা অতিক্রম করতে সক্ষম হন। মনে করা হয়, আধ্যাত্মিক ভাবে সজাগ নারীরা মায়ের মতো লালনপালনকারী হলেও, প্রয়োজনে তাঁরা ধ্বংসাত্মক রূপও নিতে পারেন।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.