ইরান ইজরাইল যুদ্ধের বিরতি চেয়ে প্রস্তাব আনলো রাশিয়া চিন
যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যুক্ত হয়ে যাচ্ছে, তাতে শঙ্কা বাড়ছে বৈকি। আর এবার সেই শঙ্কা প্রকাশ করলো রুশ ও চিন। শনিবার তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চলে ইজরায়েল-আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ধুন্ধুমার যুদ্ধ চলছে। শুধু ইরানেই মৃত্যু হয়েছে ৫৫৫ জনের। এই সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। যুদ্ধে ইরান, ইজরায়েলের পাশাপাশি জনজীবন ত্রস্ত সৌদি, কুয়েত, বাহারিনে। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে সংঘর্ষবিরতির দাবি জানাল তৃতীয় পক্ষ রাশিয়া। ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকায় হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা করল মস্কো। ‘আলোচনাই একমাত্র পথ’ জানিয়ে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব চিনেরও। দফায় দফায় বৈঠকের পরেও পরমাণু চুক্তি আপোস করতে চায়নি ইরান। এর পর শনিবার তেহরানে হামলা চালায় ইজরায়েল ও মার্কিন সেনা। ওই হামলায় মৃত্যু আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ ইরানের ৪৮ শীর্ষ নেতার। এর পর থেকে পালটা হামলা চালাচ্ছে ইরান।
প্রতিবেশী কাতার, আরব আমিরশাহী, বাহারিনের মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে তেহরান। মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনেও হামলা হয়েছে বলে খবর। এই সঙ্গে অন্যতম শত্রু দেশ ইজরায়েলে হামলা চালাচ্ছে খামেনেইর দেশ। পরিস্থিত ক্রমশ ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এই অবস্থায় রাশিয়া ও চিনের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ছিল। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের ৩৬ ঘণ্টা কাটার পর মুখ খুলল উভয় দেশ। সূত্রের খবর, যুদ্ধ ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় অবিলম্বে সংঘর্ষবিরতির দাবি জানিয়েছে রাশিয়া। আলাদা করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কথা বলেছেন আরব আমিরশাহী এবং কুয়েতের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে। যদিও প্রশ্ন উঠছে, রাশিয়ার কথা শুনবে কেন আমেরিকা-ইজরায়েল জোট। ওয়াশিংটন অবশ্য জানিয়েছে, ইরান-যুদ্ধ দীর্ঘকালীন নয়। দেশটির পরমাণু শক্তির ভাণ্ডার ধ্বংস করে বর্তমান শাসক গোষ্ঠীকে উৎখাত করাই উদ্দেশ্য।
