ধীরে ধীরে ট্রাম্প কিন্তু ভারতের স্বাধীনতাতে নাক গলাচ্ছে। বাধ্য শিশুর মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী তা মেনেও নিচ্ছেন। এবার সারা বিশ্বের উপর রীতিমত ছড়ি ঘোরানো শুরু করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার থেকে তেল কিনতে পারবে ভারত। অবশেষে আমেরিকার ছাড়পত্র পেল নয়া দিল্লি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল। দিন কয়েক আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, ভারতের ভান্ডারে ২৫ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু, যুদ্ধ চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালীও বন্ধ থাকবে। সেইসঙ্গে ভারতের তেল ভাণ্ডার শূন্য হতেও সময় লাগবে না। এদিকে, রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল ভারতকে তেল দিতে বা যে কোনও প্রয়োজনে সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। কিন্তু, রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তেই ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেক্ষেত্রে রাশিয়ার থেকে ভারত আদৌ তেল কিনবে কিনা, সেই বিষয়ে একটা সংশয় তৈরি হয়েছিল। অবশেষে রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় ভারতকে ছাড়পত্র দিল আমেরিকা।
রাশিয়ার থেকে তেল কেনার বিষয়ে ভারতকে সাময়িক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ৩০ দিনের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, ৫ মার্চ থেকেই রাশিয়ার থেকে তেল আমদানির সময়সীমা শুরু হয়ে গিয়েছে। ৩ এপ্রিল পর্যন্ত তেল আমদানি করতে পারবে ভারত। আমেরিকার ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেনেট এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে ৩০ দিনের অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি লেখেন, “ট্রাম্পের জ্বালানি কর্মসূচি তেল ও গ্যাস উৎপাদনকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ট্রেজারি বিভাগ রাশিয়ার থেকে তেল কেনার বিষয়ে ৩০ দিনের অনুমতি দিয়েছে।”প্রশ্নটা হলো, কে এই ট্রাম্প? তিনি ছাড়পত্র দেওয়ার কে? ভারত কি তার কাছে মাথা বিকিয়ে দিয়েছেন? - এমন প্রশ্নও উঠেছে।