বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য বনগাঁর সাতভাই কালীমন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন
চারিদিকে মন্দিরে মন্দিরে ভিড়। বিশেষ করে তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থীরা প্রচার শুরু করার আগে মন্দিরে দিয়ে পুজো দিয়ে আসেন। এবার বনগাঁর প্রার্থী। নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে নামার আগে এবার সোজা বনগাঁ সাত ভাই কালিতলার মন্দিরে চলে গেলেন ঋতুপর্ণা আঢ্য। চাইলেন রাজনৈতিক শুভকামনা। বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় কর্মীদের উপস্থিতিতে ভক্তিভরে পুজো দিতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। নিজের জয়ের চাওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও মন্দিরে বিশেষ পুজো দেন তিনি। নিজেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সে কথা বলেন। দল যাতে গোটা রাজ্যেই ভাল ফল করতে পারে তাও চান মায়ের কাছে। বলেন, “মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে আমি যেন বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে উন্নয়নের কাজ করার সুযোগ পাই, এটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।” পুজো শেষে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় জোরদার জনসংযোগও সারতে দেখা যায় তাঁকে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথাও শোনেন।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান প্রচারের অভিজ্ঞতার কথাও। ঋতুপর্ণা বলছেন, মাঠে নামতেই সাধারণ মানুষের থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। তাঁর কথায়, মানুষের এই ভালোবাসা ও সমর্থনই তাঁকে লড়াই করার বাড়তি শক্তি জোগাচ্ছে। খানিক হাসিমুখেই বলেন, “যেদিন থেকে প্রার্থী হিসাবে আমার নাম ঘোষণা করেছেন সেদিন থেকে আমার প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছি। ইদের দিন তো মসজিদেও গিয়েছিলাম, তারপর মন্দিরেও এলাম। এই বস্ত্রে দুই জায়গায় গিয়েছি। আমাদের নেত্রী আমাদের বিভেদ করতে শেখান না।” এদিকে এবার আবার মতুয়াগড়ে পুরনো মুখেই ভরসা রেখেছে বিজেপি। বদল হয়নি প্রার্থী। বনগাঁ দক্ষিণে বিদায়ী বিধায়ক স্বপন মজুমদারকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। নাম ঘোষণার পরেই গোপালনগরের পল্লা বাজার ও চাঁদপাড়ায় মিছিল করেন স্বপন। অন্যদিকে তৃণমূল ঋতুপর্ণাকে টিকিট দিতেই স্বপনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তিনিও।
