রাত শুরু হলেই কেটে ফেলা হচ্ছে একের পর এক গাছ। এলাকার মানুষ সকালে উঠে দেখছেন গাছের গোড়ার অংশ।
রাতের আঁধারে গাছ উধাও হাসনাবাদের পূর্ব খেজুরবেড়িয়ায়। দিনের আলো ফুরোতেই যেন শুরু হয় কুঠারের শব্দ। অন্ধকার নামলেই একের পর এক গাছ উধাও হয়ে যাচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের রূপমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব খেজুরবেড়িয়া এলাকায়। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে চলেছে নির্বিচার বৃক্ষনিধন, এমনই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। গ্রামবাসীদের দাবি, বহু পুরনো গাছ পরিকল্পিতভাবে কেটে নিচ্ছে অসাধু কারবারিরা। দিনের বেলায় নজরদারি থাকলেও রাতের অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে চলছে এই বেআইনি কাজ। সকালে ঘুম ভাঙতেই রাস্তার ধারে পড়ে থাকছে কাটা গাছের গুঁড়ি। আর একটু একটু করে সবুজ কমে যাচ্ছে এলাকা থেকে।
পরিবেশপ্রেমীদের মতে, বিশ্ব উষ্ণায়নের এই সময়ে একটি গাছ মানেই একটি প্রাণ। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন অঞ্চলে গাছের ভূমিকা অপরিসীম। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা, অক্সিজেন সরবরাহ এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখে এই বৃক্ষরাজি। নির্বিচারে গাছ কাটা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে অক্সিজেনের ঘাটতি ও জলবায়ু বিপর্যয়ের আশঙ্কা আরও বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। পরিবেশপ্রেমীদের মতে, বিশ্ব উষ্ণায়নের এই সময়ে একটি গাছ মানেই একটি প্রাণ। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন অঞ্চলে গাছের ভূমিকা অপরিসীম। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা, অক্সিজেন সরবরাহ এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখে এই বৃক্ষরাজি। নির্বিচারে গাছ কাটা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে অক্সিজেনের ঘাটতি ও জলবায়ু বিপর্যয়ের আশঙ্কা আরও বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এ প্রসঙ্গে হিঙ্গলগঞ্জ বনভূমি দফতরের কর্মদক্ষ সুরজিৎ বর্মন জানান, “গাছ কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”