একেবারে নয়া অর্থনীতি বলা যায়। নতুন পরিকল্পনা। নতুন মাস্টারপ্ল্যান। পুকুরপাড়ে সবজি চাষ করে সফলতার হাসি দেখছেন সুন্দরবনের চাষিরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, সুন্দরবনের অনেক কৃষকরা তাদের জমির মাটি কাটার পর সেই জমি অনেকটাই নিচু হয়ে যায়। আর যার ফলে এই নিচু জমিতে ধান বা অন্যান্য চাষ করে ফসল উৎপাদন করে সেভাবে লাভবান না হয় সুন্দর চাষিরা তাই মাছ চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। আর এই মাছ চাষের ফলে তাদের জীবনে আসছে অনেক সচ্ছলতা।শুধুমাত্র মাছ চাষ নয়, জমির মাটি কেটে পুকুর বানিয়ে। আর সেই অবশিষ্ট মাটি দিয়ে তাই ১০ থেকে ১৫ ফুট চওড়া পাড়ের একটি বাগান তৈরি করে। বিভিন্ন জাতের পুষ্টিকর ফল ও সবজি চাষ করছে।
এই সবজি চাষের মধ্যে রয়েছেন পেঁপে ঢেড়স বেগুন লঙ্কা লাউ পুঁইশাক চাষ করতে দেখা যাচ্ছে। আর এই ধরনের সবজি বাজারে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব হচ্ছে। এই পুকুরের সবজিচাষ করায় পুকুরপাড় আগাছামুক্ত রাখার পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন গাছের শিকড়ের কারনে পুকুরের পাড়ের মাটি ধরে রাখা সক্ষম হয়। সবজি চাষের পাশাপাশি পুকুরগুলোতে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় মাছ, যেমন, রুই, কাতলা, নাইলোটিকা, তেলাপিয়া, গ্রাসকার্প, রুই, কৈ, শিং, সহ নানা জাতের মাছ চাষ হচ্ছে।