গোর্খাল্যান্ড না হলেও দার্জিলিং হোক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল - দাবি দার্জিলিংয়ের গোর্খাদের
প্রতিবার ভোট আসে আর একবার করে গোর্খাল্যান্ডের দাবি ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোর্খা মানুষেরা বুঝেছে, আলাদা স্বাধীন রাজ্য সম্ভব নয়। তাই এবার তাদের দাবি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। দীর্ঘদিনের দাবি। বাংলায় ভোটের আগে ফের উঠল গোর্খাল্যান্ড ইস্যু। সোমবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের সঙ্গে বৈঠকে গোর্খারা দাবি জানালেন, গোর্খাল্যান্ড সম্ভব না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হোক। পাহাড়ে নানা সমস্যার কথাও তুলে ধরেন গোর্খারা। বৈঠকের পর দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা দাবি করলেন, বাংলায় এবার বিজেপি ক্ষমতায় এলে পাহাড় সমস্যার সমাধান হবে। বঙ্গ বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার জন্য বাংলায় এসেছেন নিতিন নবীন। এদিন শিলিগুড়িতে গোর্খা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেখানে তাঁকে গোর্খা টুপি পরে স্বাগত জানানো হয়। বৈঠকে আমন্ত্রিত গোর্খারা বলেন, পাহাড়ে নানা সমস্যা আছে। ২০০৭ সালের আন্দোলনের পর জিটিএ গঠন হলেও সমস্যা মেটেনি।
গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সরব গোর্খারা। তবে রাজ্য সরকার তাতে রাজি নয়। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, রাজ্য ভাগের প্রসঙ্গ বঙ্গ বিজেপির জন্যও অস্বস্তিকর। এই আবহে এদিন গোর্খারা নিতিন নবীনের কাছে দাবি জানান, গোর্খাল্যান্ড সম্ভব না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হোক।
গোর্খাদের সঙ্গে নিতিন নবীনের বৈঠকের পর দার্জিলিংয়ের বিজেপি বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, “গোর্খারা বৈঠকে থাকলে গোর্খাল্যান্ড প্রসঙ্গ আসবেই।” আবার বৈঠক থেকে বেরিয়ে দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “প্রত্যেকের নিজের বক্তব্য রাখার স্বাধীনতা রয়েছে। এবং রাখাও উচিত। কষ্ট ভেতরে চেপে রাখতে নেই। বাইরে প্রকাশ করা দরকার। ভারতীয় জনতা পার্টি চায়, সব সমস্যার সমাধান হোক। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি সরকার হলে স্থায়ী সমাধান হবেই।” তিনি আরও বলেন, “গোর্খারা তাঁদের ব্যথা বেদনা জনিয়েছেন। সাংসদ হিসেবে তাঁদের পাশে ঢাল হিসেবে আছি।”
