বাংলার সমস্ত মানুষের হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনা তুলে নিক। অভিষেক চান সেই ধরনা চালিয়ে যাবে বাংলার ছাত্র-যুবরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স হয়েছে, শরীর ভালো না, এই অবস্থায় দিনের পর দিন রাস্তায় বসে থাকলে তাঁর শরীর আরো খারাপ হবে। অভিষেক বলেন, "আপনি রাস্তায় থাকতে চান। কিন্তু রাজ্যের মানুষের স্বার্থে তাদের জন্য লড়াইয়ের কথা ভেবে আপনার শরীর খারাপ করবেন না। তৃণমূলের ছাত্র যুব আছে। তারা লড়াই বুঝে নেবে।” অভিষেকের এই কথা থেকেই স্পষ্ট, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধরনা তুলে নেওয়ার কথা বলছেন। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে অভিষেক একথা বলার পরপরই দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের পক্ষে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, ‘আগামিকাল (মঙ্গলবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দিদির ধরনা মঞ্চে জমায়েতের দায়িত্ব তৃণমূল যুব কংগ্রেসকে দেওয়া হয়েছে।
তাই তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সকল কর্মী ও সমর্থকরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সকাল ১০টার মধ্যে উপস্থিত থাকবেন।’ সেখানে রোজ দলের ছাত্র-যুব নেতৃত্ব ধরনার মধ্যে দিয়ে লড়াই জারি রাখবে। আসলে এসআইআরে ভোটারদের নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ধরনা তো শুধুই অধিকার রক্ষার লড়াই নয়। এ এক বৃহত্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম। কেন্দ্রে দ্বিতীয় এনডিএ সরকারের আমলে যেভাবে নানা ক্ষেত্রে শাসকদলের বিরুদ্ধে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে, তা রুখতে সর্বক্ষেত্রে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বাগ্রে এগিয়ে আসতে দেখা গিয়েছে। বিরোধী দলগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করে কেন্দ্রবিরোধী লড়াইয়ের অস্ত্রে শান দিয়েছেন। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইউএসপি। এখানেই তিনি ‘জননেত্রী’।