সকালেই ভাবনীপুরে হাজির শুভেন্দু
সোমবার মুখ্যমন্ত্রী চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন, তিনি ভবানীপুরে দাঁড়াবেন এবং 'এক ভোটে জিতলেও জিতবেন।' আর পরের দিন, অর্থাৎ দোলের দিন সকালেই সদলবলে শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত সেই ভবানীপুরেই। এবার এসআইআর পর্বের শুরু থেকেই ভবানীপুর নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। ইতিমধ্যেই এই ভবানীপুর থেকে খসড়া তালিকা ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে বাদ পড়েছে প্রায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম। যদিও ভবানীপুর জয়ের বিষয়ে বরাবরের মতোই আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিন আগেই বলেছেন এক ভোটে হলেও ভবানীপুর থেকে জয় ছিনিয়ে আনবেন তিনি। অন্যদিকে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী পদ্ম বিগ্রেডও। মমতার ওই মন্তব্যের পরেই দোলের সকালে শুভেন্দুর মিছিল যে ভোটের আবহে অন্যমাত্রা যোগ করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মিছিলের শেষে ভবানীপুরে রাধা-মাধবের মন্দিরে গিয়ে পুজোও দিতে দেখা যায় শুভেন্দুকে।
শুভেন্দু এবার পাখির চোখ করেছে ভবানীপুরকে। তার কাছে 'ভবানীপুর' মানেই এবার প্রেস্টিজ ফাইট। সূত্রের খবর, এদিন মূলত ভবানীপুরের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাগুলিকে টার্গেট করেই মিছিল করেন শুভেন্দু। কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। গত কয়েকটা মাস ধরে রাজ্য-রাজনীতিতে বারবার ফিরে ফিরে এসেছে ভবানীপুর-চর্চা। বিরোধী দলনেতা থেকে বিরোধী শিবিরের ছোট বড় সব নেতাই এক সুরে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমোর দিকে। এর আগে একাধিকবার শুভেন্দুর মুখে শোনা গিয়েছে মমতাকে পরাজিত করার কথা। নন্দীগ্রামের অতীত মনে করিয়ে বারবার বলেছেন, আপনাকে এবার ভবানীপুরে হারব। এরইমধ্যে পাল্টা হুঙ্কার দিয়েছেন মমতাও। বলছেন, আমি ভবানীপুর থেকে জিতবই। সেটা যদি একটা ভোটেও হয় তা হলেও জিতব। শুভেন্দু যদি বলছেন ওনাকে জেতানোর মতো ভোটার ভবানীপুরে নেই। সব মিলিয়ে ভবানীপুরের খেলা বেশ জমে উঠেছে।
