Type Here to Get Search Results !

বাসন্তীপুজো - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

 বাসন্তীপুজো - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য 



  আজ থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে বাসন্তী পুজো। আসুন আমরা জেনে নিই এই পুজোর প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য।


  ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আচারবিধি: পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি ঋষি মেধসের পরামর্শে প্রথম বসন্তকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেছিলেন নিজের হারানো রাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্য। তাই একেই দেবী দুর্গার আদি পূজা বলে গণ্য করা হয়। শরৎকালের দুর্গাপূজাকে ‘অকালবোধন’ বলা হয় কারণ ভগবান রামচন্দ্র অকালে দেবীকে জাগ্রত করেছিলেন, কিন্তু বাসন্তী পূজার সময় দেবী স্বয়ং জাগ্রত থাকেন বলে ষষ্ঠীতে আলাদা করে বোধনের প্রয়োজন হয় না।


  বিশেষ রীতি ও ভোগ: বাসন্তী পূজার অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো বাসন্তী পোলাও। হলুদ বর্ণের এই মিষ্টি পোলাও দেবীর অত্যন্ত প্রিয় ভোগ হিসেবে গণ্য হয়। এছাড়া উত্তর ভারতে এই সময়টি চৈত্র নবরাত্রি হিসেবে নয় দিন ধরে দেবী শৈলপুত্রী থেকে সিদ্ধিদাত্রীর আরাধনার মাধ্যমে পালিত হয়।


  তাৎপর্য: যদিও বর্তমানে শারদীয়া দুর্গাপূজার জনপ্রিয়তা অনেক বেশি, তবুও বাংলার অনেক বনেদি বাড়ি ও মণ্ডপে আজও অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে প্রাচীন এই বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৬ সালে মায়ের আগমন ও গমন উভয়ই হচ্ছে ঘোটক বা ঘোড়ায়, যার ফলস্বরূপ যুদ্ধের ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.