Type Here to Get Search Results !

যুদ্ধে ফেরা যাক ' - ঘোষণা ট্রাম্পের

 'যুদ্ধে ফেরা যাক ' - ঘোষণা ট্রাম্পের



  বেশ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে মধ্যপ্রাচ্যে আবার বাড়তে চলেছে যুদ্ধের তাপ। হুঙ্কার দিয়েই চলেবেন ট্রাম্প। আমেরিকা-ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা ফেল করে গিয়েছে। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর উপদেষ্টারা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা পুনরায় শুরু করা এবং হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ আরোপের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছেন। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে স্থগিত হয়ে থাকা চুক্তিটি ভাঙার চেষ্টায় পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই এই পদক্ষেপগুলি নেওয়া হচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের (ডব্লিউএসজে) তথ্য মতে, ট্রাম্প রবিবার ফ্লোরিডার ডোরালে তাঁর রিসর্টে উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ফক্স নিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, তিনি ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন বিকল্প খতিয়ে দেখছেন। যে কোনও সময় ইরানের কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালানোর জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।


  প্রতিবেদন অনুসারে, গত কয়েকদিন ধরে চলা পর্দার আড়ালের আলোচনা এখন নিষ্ফল প্রমাণিত হয়েছে। ইরানের শর্ত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবির মধ্যকার ব্যবধান পূরণ হতে ব্যর্থ হওয়ায় কূটনৈতিক পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলস্বরূপ, ট্রাম্প প্রশাসন এখন সামরিক চাপ বাড়ানোর পথ বেছে নিয়েছে। ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যদি কোনও ‘প্রকৃত চুক্তি’ না হয়, তবে সামরিক পদক্ষেপই একমাত্র উপায় হবে। এখন যেহেতু আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর একটি তালিকা তৈরি করছে। ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, একমাত্র সামরিক শক্তিই ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করতে পারে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.