Type Here to Get Search Results !

পুরীর সমুদ্র সৈকতে ভেসে উঠলেন অনন্য আশা ভোসলে

 পুরীর সমুদ্র সৈকতে ভেসে উঠলেন অনন্য আশা ভোসলে 



  আশা ভোসলের বিদায় একদম নাড়িয়ে দিয়ে গেছে সারা দেশকে। বিশেষকরে দেশের সমস্ত শিল্পী মহলকে। তারই প্রমান পাওয়া গেল পুরীর সমুদ্র সৈকতে। ১২ এপ্রিল সুরলোকে পাড়ি দিয়েছেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। তাঁর স্মৃতিতে পুরীর সমুদ্রসৈকতে গড়ে উঠেছে ২০ ফুটের বিশালাকৃতি লম্বা বীণা। বিশিষ্ট বালুকাশিল্পী সুদর্শন পট্টনায়েকের দক্ষ হাতের ছোঁয়ায় সাগরপাড়ের এই ভাস্কর্য এখন জগন্নাথ ধামের অন্যতম আকর্ষণ। প্রয়াত প্রবাদপ্রতীম শিল্পী আশা ভোঁসলের প্রতি অসীম শ্রদ্ধা আর এক ভক্তের হৃদয়ের ব্যথাই সুদর্শনের এই শিল্পকর্মের নিদর্শন। বীণার আকার যত বড় হচ্ছিল সমুদ্রের ধারে তখন ঢেউয়ের মতোই আছড়ে পড়ছিল পর্যটকদের ভিড়। শিল্পকর্মে খোদাই করে লেখা ছিল, ‘আশা তাই-কে শ্রদ্ধাঞ্জলি। আপনার কণ্ঠ চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।’


  বালুর বীণায় সুরের স্মৃতি! সঙ্গীতের প্রতি গভীর ভক্তি, শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে উঠেছে সুদর্শনের তৈরি এই ভাস্কর্যটি। পট্টনায়েক একা নন তাঁর বালুকাশিল্প প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাও এই বিশেষ কাজে অংশ নিয়েছিলেন। কোটি ভক্তের মতো তিনিও ছোটবেলা থেকেই আশা ভোঁসলের গান শুনেই বড় হয়েছেন। তাঁর কথায়, “আমরা আশাজির গান শুনেই বড় হয়েছি। ওঁর কণ্ঠ আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবে”। সুদর্শন পট্টনায়েক তাঁর হাতের ছোঁয়ায় বিভিন্ন সময়ে শিল্পকর্মের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন এইডস সচেতনতা, কোভিড-১৯, প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মতো একাধিক সচেতনতার বার্তা।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.