এবার সকলের দৃষ্টিতে আছেন হুমায়ূন কবীর
মুর্শিদাবাদ জেলাকে বাদ দিলে বলা চলে ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। মোট ১৬টি জেলা এবং আসন ১৫২টি। বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ। সমগ্র উত্তরবঙ্গ এবং গোটা জঙ্গলমহলের পাশাপাশি ভোট হবে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। গত পাঁচ বছরে দু’টি বড় ভোটের (২০২১ সালের বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা) পরিসংখ্যান বলছে, এই ১৫২টি আসনে সেয়ানে-সেয়ানে লড়াইয়ে ছিল তৃণমূল-বিজেপি। গত বিধানসভায় যে ফল হয়েছিল, লোকসভায় তার অনেক কিছু বদলে গিয়েছিল। গত বিধানসভা ভোটের তিন বছরের মাথায় হয়েছিল লোকসভা ভোট। সেই নির্বাচনে বেশ কিছু হিসাবে বদল হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনের দু’বছরের মাথায় হতে চলেছে বিধানসভা ভোট। সেখানেও হিসাব বদলের বিভিন্ন উপকরণ মজুত রয়েছে।
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে তৃণমূলকর্মীদের ধস্তাধস্তি-হাতাহাতি, নওদায় তুলকালাম ৷ নওদা থানা এলাকার শিবনগর গ্রামের ১৭৩ নম্বর বুথে হুমায়ুনকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তোলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। ওই এলাকায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি হাবিব শেখের নেতৃত্বে চলছে এই বিক্ষোভ। হুমায়ুনকে ‘বিজেপির দালাল’ বলেও স্লোগান তুলছেন অনেকে। হুমায়ুনের গাড়ি ঘিরে রেখে বিক্ষোভ চলছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। মুর্শিদাবাদের নওদায় তুলকালাম। হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের চরম ধস্তাধস্তি-হাতাহাতি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও শুরু হাতাহাতি-ধস্তাধস্তি। মুখোমুখি হুমায়ুন কবীর এবং তৃণমূল কর্মীরা। চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। নওদা বিধানসভার অন্তর্গত ১৭৩ ও ১৭৪ নং বুথে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর তিনি এসেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, এই বুথে এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছিল আর ভিতরে এসে এজেন্টকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। আর তখনই তৃণমূলের প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খান তিনি আসেন এবং ব্লক সভাপতি হাবিব মাস্টার এসে উপস্থিত হন। তৃণমূল ব্লক সভাপতি হাবিব মাস্টার ও হুমায়ুন কবীর মধ্যে ধস্তাধস্তি-হাতাহাতি হয় । ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ ৷
