আইএসএফকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আলিমুদ্দিন - ক্ষুব্ধ বিভিন্ন জেলার নিচুতলার কর্মীরা
বামপন্থীরা জোট করে ৩৪ বছর শাসন করেছে। কোনো সমস্যা হয় নি। এবার সেই বামেরা জোট নয়, আসন সমঝোতা করতে গিয়ে আইএসএফকে ৩১টি আসন দিয়েছে। তাতেই ক্ষুব্ধ গ্রাউন্ড লেভেলের বহু কর্মী। আইএসএফের দাবিকে প্রাধান্য দেওয়ায় সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর বেজায় চটেছেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সিপিএম নেতারা। কারণ, পাঁশকুড়া পশ্চিম আসনে সিপিএম প্রার্থী করেছিল তাদের পার্টির পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহিকে। সেই আসনে আইএসএফও প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। এই আসনটি আইএসএফকে ছেড়ে সিপিএম তাদের প্রার্থী নিরঞ্জন সিহিকে প্রত্যাহার করে নিতে চলেছে। জেলা সম্পাদককে প্রার্থী করার পর তিনি প্রচারেও নেমে পড়েছিলেন।
তারপর তাঁকে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করার যে বার্তা আলিমুদ্দিনের তরফে এসেছে আইএসএফের কাছে চাপে পড়ে তা মেনে নিতে পারছে না পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সিপিএমের বড় অংশই। জেলা পার্টির তরফে তাদের অসন্তোষের বিষয়টি আলিমুদ্দিনকে জানানো হয়েছে। আবার আইএসএফকে না চটিয়ে ক্যানিং পূর্বে আরাবুলের বিরুদ্ধে শেষমেশ কোনও পালটা প্রার্থী না দেওয়ার পথেই যাচ্ছে সিপিএম। কিন্তু দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সিপিএমের বড় অংশেরই মনোভাব ক্যানিং পূর্বে পার্টি কোনও প্রার্থী না দিলে তারাও আরাবুলের হয়ে প্রচারে অংশ নেবে না। ফলে দুই জেলার নেতাদের মনোভাব নিয়ে কার্যত ফাঁপরে পড়েছে আলিমুদ্দিন। একাধিক আসনেই নওশাদ সিদ্দিকির দলের হয়ে প্রচারে অনীহা প্রকাশ করছে সিপিএমের জেলার নিচুতলার কর্মীরা। স্বাভাবিক কারণেই সিপিএম এই বিষয়ে কতটা সক্রিয় হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
