অফবিট
চৈত্র বৈশাখ মাসে আবহাওয়া দপ্তর লাল, হলুদ, কমলা সতর্কতা জারি করে - এর মানে কি?
আবহাওয়ার চরম সতর্কতা দেশ জুড়ে। গরমের শুরুতেই বৃষ্টির দাপট। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার হুঁশিয়ারি বাংলা-সহ দেশের একাধিক রাজ্যে। হালকা থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত বাংলার জেলায় জেলায়। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যে বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে। এরইমধ্যে আবহাওয়া দফতর কিছু জায়গায় হলুদ এবং কিছু জায়গায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে। অনেক সময় জারি করা হয় রেড অ্যালার্ট। চৈত্র-বৈশাখ মাসের এই সময় বারবারই নানা সতর্কতা জারি করা হচ্ছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। যা শুনে অনেকের মনেই নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগে, কোন পরিস্থিতিতে কী ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়? এর মানেই বা কী?
আসলে আবহাওয়া বিভাগ আবহাওয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করার জন্য হলুদ, কমলা এবং লাল সতর্কতা জারি করে। এই প্রতিটি সতর্কতারই কিন্তু নিজস্ব নির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে। এই সতর্কতা জারি করার পিছনে মূলত সরকারের লক্ষ্য থাকে জীবন ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি কমানো। আসুন জেনে নেওয়া যাক কখন, কোন সতর্কতা আর কেন জারি করা হয়। বস্তুত, মৌসম ভবন প্রতি ঋতু অনুসারে তিনটি সতর্কতা জারি করে। লাল, কমলা এবং হলুদ সতর্কতা। এগুলি ছাড়াও, একটি গুরুতর সতর্কতা রয়েছে, যা প্রায় কেউই জানেন না। জেনে নেওয়া যাক কী সেই সতর্কতা? আর কেনই বা কালো বা নীল সতর্কতা হয় না?
* হলুদ সতর্কতা: আবহাওয়া সম্পর্কিত বিপদের প্রাথমিক অ্যালার্ট হিসাবে বিবেচিত হয় এই 'হলুদ' সতর্কতা। যখনই আবহাওয়া দফতর হলুদ সতর্কতা জারি করে, তখনই মানুষ জনকে ন্যূনতম সতর্ক হতে বলে। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেক স্থানীয় নাগরিকের তাঁর এলাকার আবহাওয়ার দিকে নজর রাখা জরুরি।
* কমলা সতর্কতা: আবহাওয়া আরও একটু খারাপ হলে এই সতর্কতা জারি করে আবহাওয়া দফতর। অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করার উদ্দেশ্য হল এখন শুধু আবহাওয়ার দিকে নজর রাখতে হবে না বরং এখানে-ওখানে যাওয়া এড়িয়ে চলাই কাম্য এই এলাকায় এবং একান্তই যাওয়ার প্রয়োজন হলে সেক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
* লাল সতর্কতা: যখন আবহাওয়া আরও খারাপ হয় এবং ভারী ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে, তখন আবহাওয়া দফতর একটি রেড অ্যালার্ট জারি করে। রেড অ্যালার্ট জারি হওয়ার পরে, এই সতর্কতা অনুযায়ী আবহাওয়া দফতরের দেওয়া সমস্ত নিয়ম এবং নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে।
