শ্রীরামপুরে নির্বাচনী প্রচারে এসে রাহুল গান্ধী 'মোদী-মমতার' সেটিং তত্ত্বকে আবার সামনে আনলেন
এবার বাংলায় রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস প্রার্থীদের পক্ষে তার আছে একাধিক সভা। শুক্রবার শ্রীরামপুরে শুভঙ্কর সরকারের সমর্থনে তার করা সভায় ভিড় হয়েছিল যথেষ্ট। বাংলায় এসে মমতা এবং মোদীকে একই ব্র্যাকেটে রেখে আক্রমণ শানালেন রাহুল গান্ধী। শ্রীরামপুরে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের জন্য দলের সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হয়ে প্রচার করেন শনিবার। সেই জনসভা থেকে 'সেটিং' শব্দ উচ্চারণ না করেও মোদী এবং মমতার মধ্যে 'বোঝাপড়া'-র অভিযোগ করেন রাহুল। এদিন রাহুল গান্ধী বলেন, 'কংগ্রেসই BJP-র বিরুদ্ধে একমাত্র লড়াই করা দল। আমি জামিনে রয়েছি। আমার ঘর কেড়ে নিয়েছে। আমার লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা রয়েছে। প্রত্যেক ১০-১৫ দিনে কখনও মহারাষ্ট্র, কখনও বিহার, কখনও ছত্তিশগড়ে ছুটে যেতে হয় আমায়। মমতাজির বিরুদ্ধে ক'টা মামলা আছে? ৫৫ ঘণ্টা ধরে, ৫ দিন একের পর এক জিজ্ঞাসাবাদ হয়েছে আমার। মমতার উপর কোনও আক্রমণ হয় না।
শ্রীরামপুরের জনসভা থেকে রাহুল আরও বলেন, '২০২১ সালে মমতাজি প্রতিশ্রুতি করেছিলেন চাকরি দেওয়ার, কাউকে দেননি। ৮৪ লক্ষ বেকার যুবক ভাতার জন্য আবেদন করেছেন। বাংলা আজ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর দল যেমন মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়, তেমনই বাংলায় হয়েছে আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের মামলা। যারা এই কাজ করেছে, তাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলার সরকার।' ফের একবার রাহুল দাবি করেন, এখানে BJP-কে সুযোগ করে দিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুলের বক্তব্য, 'মমতাজি যদি সঠিক ভাবে কাজ করতেন, দুর্নীতি না করতেন, আরজি করের মতো ঘটনায় প্রশ্রয় না দিতেন, তবে এখানে BJP-র কোনও স্থান হতো না। কংগ্রেসই একমাত্র BJP-র সঙ্গে লড়াই করে।' আর তাই কংগ্রেস প্রার্থীদের বিধানসভায় পাঠানো জরুরি বলেই মন্তব্য করেন কংগ্রেস সাংসদ।
