Type Here to Get Search Results !

ঠাকুরঘরে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলুন - পরিবারে শান্তি বজায় থাকবে

 জ্যোতিষশাস্ত্র 


ঠাকুরঘরে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলুন - পরিবারে শান্তি বজায় থাকবে 



  সারাদিনের ক্লান্তি শেষে কিংবা সকালের শুরুতে একটু ভগবানের সান্নিধ্য মনে পজিটিভ এনার্জি ফিরিয়ে আনে। কিন্তু জানেন কি, আপনার শখের ঠাকুরঘরটি যদি বাস্তু মেনে সাজানো না হয়, তবে সেই পজিটিভ এনার্জির বদলে অশুভ শক্তি বাসা বাঁধতে পারে ঘরে? বাস্তুবিদদের মতে, ঠাকুরঘর অগোছালো বা ভুল নিয়মে থাকলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এমনকি দেবতারা রুষ্ট হয়ে আশীর্বাদের বদলে অমঙ্গল বয়ে আনতে পারেন। আপনিও কি নিজের ইষ্টদেবতার স্থানটি নতুন করে সাজানোর কথা ভাবছেন? তবে এই নিয়মগুলো একবার ঝালিয়ে নিন। বাস্তুশাস্ত্রে দিক নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঠাকুরঘরের জন্য সবচেয়ে আদর্শ জায়গা হল বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণ। যদি আপনার ফ্ল্যাট বা বাড়িতে তা সম্ভব না হয়, তবে চেষ্টা করুন যে ঘরে ঠাকুর রাখছেন সেই ঘরের উত্তর-পূর্ব অংশটি বেছে নিতে। বিকল্প হিসেবে পূর্ব বা উত্তর দিকও মন্দ নয়। তবে ভুলেও বাড়ির দক্ষিণ দিকে ঠাকুর রাখবেন না। অনেকেই জায়গার অভাবে সিঁড়ির নীচের ফাঁকা অংশে ঠাকুরঘর করেন, বাস্তু মতে যা ঘোর অমঙ্গলজনক।


  * ঠাকুরঘরের আকৃতি সবসময় আয়তাকার বা বর্গাকার হওয়া বাঞ্ছনীয়। এবড়ো-খেবড়ো বা অদ্ভুত আকৃতির ঘরে শুভ শক্তির প্রবাহ বাধা পায়। এবার আসা যাক রঙের কথায়। ঠাকুরঘরের দেওয়ালে কখনওই গাঢ় বা উগ্র রং করবেন না। মন শান্ত রাখতে হালকা হলুদ, সাদা বা আকাশি রঙের দেওয়াল সবচেয়ে উপযুক্ত।


  * পুজোর ঘরের দরজা যেন সব সময় মসৃণ হয়। দরজা খোলার সময় যদি ‘ক্যাঁচক্যাঁচ’ শব্দ হয়, তবে তা নেতিবাচকতা তৈরি করে। দরজার পাল্লা যেন পুরোটা খোলে, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি। কাঠের দরজা ব্যবহার করা বাস্তুসম্মত। ঠাকুর বসানোর ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, মূর্তিগুলি যেন দরজার দিকে সরাসরি মুখ করে না থাকে। 


  * ভগবান মানেই পবিত্রতা। তাই ঠাকুরঘরে জঞ্জাল জমিয়ে রাখা একদম চলবে না। নিয়মিত ঘর পরিষ্কার করুন এবং ঘরে যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস খেলে সেই ব্যবস্থা রাখুন। অন্ধকার গুমোট ঘরে অশুভ শক্তির বাস হয়। তাই আপনার আরাধ্য দেবতার স্থানটি যেন সব সময় উজ্জ্বল আর প্রাণবন্ত থাকে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.