শেষ রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় মোদী মাতিয়ে দিলেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি
ভক্তি আর ভোটের প্রচার - এক ঢিলে দুই পাখি মারা। রাজনৈতিক নেতারা এখন একসঙ্গে দুটো কাজই করছেন। রবিবার সকালে ঠাকুরনগরে প্রচারে যান মোদী। মঞ্চে তাঁর এক পাশে শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুর। এসআইআর-এ মতুয়াদের অনেকের নাম বাদ গিয়েছে, ঠিক এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারে নেমেছে তৃণমূল। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি, তাঁদের নাগরিকত্বের গ্যারান্টি দেওয়া, মতুয়াদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ভোটবঙ্গে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শেষ বেলায় কার্পেট বম্বিংয়ে মতুয়াদের গড়ে মোদী।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মতুয়াদের ‘বড় মা’ বীনাপাণি দেবীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। পুজো দেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতেও তারপর করেন রোড শো। এসআইআর নিয়ে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজিয়েছে তৃণমূল, সেই আবহে দাঁড়িয়ে মোদীর সেখানে যাওয়া ও মতুয়াদের নাগরিকত্বের আশ্বাস দেওয়া রাজনৈতিক দিক থেকেই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ‘মতুয়া ভোট’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্ণায়ক শক্তি। মতুয়া রাজনীতির বর্তমান কেন্দ্রবিন্দু হলো নাগরিকত্ব। মতুয়া সম্প্রদায়ের বড় অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়া। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, এবং সীমান্ত লাগোয়া জেলাগুলোতে মতুয়াদের প্রভাব বিরাট। মোদীর এই সংযোগ একদিকে যেমন মতুয়াদের সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অন্যদিকে এটা তৃণমূলকেও চ্যালেঞ্জ।
