আকাশ যুদ্ধে ইরানের কাছে পরাজয়ের মুখে আমেরিকা
ইরানের শক্তিকে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারে নি ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ভেবেছিলেন মেয়েকটা যুদ্ধ বিমান পাঠিয়ে হেলায় ইরানকে কব্জা করা যাবে। কিন্তু না, সবটা তা হয় নি।
ইরানের হাতে কি সত্যিই এমন কোনও ‘অদৃশ্য অস্ত্র’ এসেছে, যা আধুনিক প্রযুক্তিকেও ফাঁকি দিচ্ছে? নাকি এটি পুরনো যুদ্ধকৌশলেরই পুনরাবৃত্তি, যার প্রতিধ্বনি একসময় শোনা গিয়েছিল ১৯৭৯ সালের আফগান যুদ্ধে? শুক্রবার দু’টি মার্কিন যুদ্ধবিমানে জোড়া হামলা চালায় তেহরান। ইরানের মারে গুঁড়িয়ে যায় এফ-১৫ই এবং এ-১০ যুদ্ধবিমান। ঘটনায় নিখোঁজ এক পাইলট। মনে করা হচ্ছে, তিনি ইরানের যুদ্ধ-উপদ্রুত অঞ্চলেই তিনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এখানেই শেষ নয়, দু’টি মার্কিন ‘ব্ল্যাক হক’ হেলিকপ্টারও এদিন ইরানি হামলার মুখে পড়ে বলে খবর।
তবে সেগুলি কোনও মতে তেহরানের আকাশসীমার বাইরে চলে যায়। ফলে বেঁচে যায়। কিন্তু ইরানের এই ‘অদৃশ্য অস্ত্র’ কী? কীভাবে তারা একের পর এক মার্কিন বিমান ধ্বংস করছে? তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। এবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি। তবে সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই ‘অদৃশ্য অস্ত্র’ হল ‘মাজিদ’ মিসাইল। এটি কাঁধে বহন করে ব্যবহার করা হয় এবং তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল এগুলি থেকে নির্গত ক্ষেপণাস্ত্রগুলি সহজে র্যাডারে ধরা পড়ে না। এগুলিতে থাকা ইনফ্রারেড সেন্সর প্রতিপক্ষের যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন থেকে নির্গত তাপ শনাক্ত করে এবং সেগুলিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। বিশেষ করে, কম উচ্চতা দিয়ে উড়ে যাওয়া যুদ্ধবিমানগুলি ঝুঁকির মুখে পড়ে।
