কালিয়াচকের ঘটনা সম্পূর্ণ দেশবিরোধী - মত সুকান্ত ও দিলীপের
মালদা কালিয়াচকে ৭ জন বিচার বিভাগীয় অফিসারকে শুধু আটকে রেখে নয়, যেভাবে শারীরিক নিগ্রোহ করা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজে ঘটে না। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, ‘যেটা হয়েছে, সেটা সকলের জন্যই ভয়ের। ৭ জন বিচারবিভাগীয় অফিসার সেখানে গিয়েছিলেন। তাঁদের শুধু আটকানোই হয়নি, তাঁদের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। যখন এসপি তাঁদের উদ্ধার করতে যান, তখন মহিলা বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।' পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ, 'রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে যাতে কোনও গাড়ি যেতে না পারে, তাই অবরোধ করা হয়। বামফ্রন্ট আমলে অনিতা দেবীনামের একজন মহিলা আধিকারিককে গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এখানেও একই ধরনের পরিকল্পনা ছিল। এই কাণ্ডের জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক উস্কানি।’
এই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রাক্তন বিজেসি সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তিনি বলেন, 'কালিয়াচকের এই ঘটনা প্রথম নয়। এর আগেও সেখানে একটি থানায় আগুন লাগানো হয়েছিল… এই জায়গা থেকে ৫-১০ কিলোমিটার দূরেই বাংলাদেশ সীমান্ত। এখান থেকেই অনুপ্রবেশকারীরা আসে… ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলারও প্রচুর সমস্যা আছে… কালিয়াচকে তৃণমূলের মদতে অনেক অসামাজিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজকর্ম চলছে… এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে, না হলে সেখানে নির্বাচন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে যাবে।' অর্থাৎ বিজেপির পক্ষ থেকে দুইজনই তৃণমূলের দিকেই আঙুল তুলে দিলেন।
