মেখলিগঞ্জে পরেশ অধিকারী প্রার্থী হওয়ায় দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন টিএমসি কাউন্সিলার
দল ছাড়ার খেলা এখনও চলেছে। এবার উত্তেবঙ্গের মেখলিগঞ্জ। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নাম জড়িয়েছিল এই পরেশের। অভিযোগ উঠছিল, নিজের প্রভাব খাটিয়ে মেয়েকে সরকারি চাকরি করে দিয়েছেন তিনি। সেই পরেশকে ফের একবার দল প্রার্থী করতেই ক্ষুব্ধ হলদিবাড়ি পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর পুরবি রায় প্রধান। তৃণমূল ছেড়ে যোগদান করলেন বিজেপিতে। তবে,পাল্টা ঘাসফুল শিবিরের দাবি, কাউন্সিলর পদ ত্যাগ করে তবেই যেন তিনি বিজেপিতে যান। সম্প্রতি দল বদল করেন, মেখলিগঞ্জের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান। বিজেপি রাজ্য দফতরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে শমীক ভট্টাচার্যর হাত থেকে দিন কয়েক আগে গেরুয়া পতাকা তুলে নিয়েছিলেন।
এইবার স্বামীর পথ ধরে তৃণমূল ছাড়লেন অর্ঘ্য জায়া পূরবী। বুধবার রাতে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপী গোস্বামীর হাত থেকে পদ্ম পতাকা গ্রহণ করেন তিনি। ১১
আসন বিশিষ্ট তৃণমূল পরিচালিত হলদিবাড়ি পৌরসভা। এই পুরসভার ১১আসনই এতদিন তৃণমূলের দখলে ছিল। ছাব্বেশের নির্বাচনের দোড় গোড়ায় এসে তৃণমূল কাউন্সিলরকে দলবদল করিয়ে এই পৌরসভায় এবার থাবা বসালো বিজেপি। পদ্ম শিবির সূত্রে জানা গেছে, আরও কয়েকজন তৃণমুল কাউন্সিলর তাঁদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখেছে। দলের শীর্ষ নেতাদের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেলেই তাঁদেরও যোগদান করানো হবে। পূরবী দেবী কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ মহকুমার হলদিবাড়ি পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তিনি মেখলিগঞ্জের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধানের স্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যের অন্যতম বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা দেশের ১ নং লোকসভা আসন, কোচবিহার আসন থেকে টানা আট বারের সাংসদ অমর রায় প্রধানের পুত্রবধূ।যদিও, তাঁর বিজেপিতে যোগদান করা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ ঘাসফুল নেতৃত্ব।
