Type Here to Get Search Results !

রাজ্য কংগ্রেসের এবারের টার্গেট ১০ আসন

 রাজ্য কংগ্রেসের এবারের টার্গেট ১০ আসন 



  তবে নিজেরাই জানে যে ১০ সংখ্যাটা অনেক বেশি। সেটা ৩/৪টা হলেও কম নয়। কিন্তু কোনোভাবেই 'শূন্য' নয়। জানানো হয় সর্বশক্তিতে একলা লড়াইয়ে ২৯৪ আসনে প্রার্থী দেওয়া হবে। দলের সব সিনিয়র এবং শক্তিশালী নেতৃত্ব লড়াইয়ে নামবেন। তাতে ভোট শতাংশ তো বটেই, আসন জয়ের প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হবে। তখনই ঠিক হয় অধীর চৌধুরী, মৌসম নুর, নেপাল মাহাতো, মনোজ চক্রবর্তী, আলি ইমরান রামজ (ভিক্টর)-দের মতো প্রাক্তন সাংসদ-বিধায়ক-সহ দলের সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব তো বটেই, সঙ্গে প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, মোহিত সেনগুপ্ত, অমল আচার্য, মিল্টন রশিদের মতো পরিচিত মুখ, অতীতে লড়াই দিয়ে দলকে ভাল জায়গায় এনেছিলেন, এমনকী, প্রাক্তন আরও একাধিক বিধায়ককে লড়াইয়ে ময়দানে নামানো।  


  সমীক্ষায় মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দুই দিনাজপুর, বীরভূমের মতো জেলাগুলিকে ‘ফোকাস’ করে নামার সিদ্ধান্ত হয়। দলের একাংশের দাবি, এই কেন্দ্রগুলির মধ্যে ১০টি আসন না হলেও অন্তত ৩-৪টি আসনে নিশ্চিত জয় সম্ভব। অধীর চৌধুরির শিবির আবার সেক্ষেত্রে প্রাক্তন সাংসদকে সেই লড়াইয়ে এগিয়ে রেখেছে। তাতে শুভেন্দু এবার জিতে এলেও অধীরের মতো মুখ বিধানসভায় থাকলে বিরোধী দল হিসাবে একা প্রচারের আলো কেড়ে নিতে পারবেন না। তাতে কংগ্রেস দল আবার প্রাসঙ্গিক হবে। আরও একাধিক মত রয়েছে। অধীর, মৌসম, নেপাল মাহাতো, মনোজ চক্রবর্তী, শুভঙ্কর, ভিক্টরের মতো মুখ বিধানসভায় থাকলে রাজ্যে বিরোধী রাজনীতির গৈরিকীকরণ রোখা যাবে। বিধানসভার অলিন্দে ‘একঘেয়ে অযৌক্তিক বিরোধিতা’-ও বন্ধ হবে, রাজনীতির বৈচিত্রে কংগ্রেসও খাতা খুলবে। বিরোধিতারও স্বাদ বদল হবে। শেষ খবর পাওয়া যাবে ৪ মে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.