মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিদেবী
রবিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গোয়েছিলেন তার প্রয়াত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মার সঙ্গে দেখা করতে। আর যেখানেই মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিদেবী। পুত্রহারা মা এখনও শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি। রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। আর মুখ্যমন্ত্রীর আসা নিয়ে নিহত চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিদেবী বলছেন, “ছেলের খুনিদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি উনিও চাইছেন। তাঁর উপর আমাদের আস্থা রয়েছে।” শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক ছিলেন চন্দ্রনাথ। মুখ্য়মন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে হাসিদেবীর বক্তব্য, “অনেকেই পদ পেয়ে ভুলে যান। উনি মনে রেখেছেন।” বিজেপির বিপুল জয়ের ২ দিন পর উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে খুন হন চন্দ্রনাথ। দুষ্কৃতীরা তাঁর গাড়ির পথ আটকে গুলি করে খুন করে। শোকে পাথর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রবিবার সন্ধ্যায় চণ্ডীপুর থানা এলাকার কুলুপ গ্রামে চন্দ্রনাথের বাড়িতে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। দেখা করেন চন্দ্রনাথের মায়ের সঙ্গে।
পাশাপাশি চন্দ্রনাথের ছবিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান। দীর্ঘ প্রায় ২৫ মিনিট হাসিদেবী ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। চন্দ্রনাথের পরিজনদের সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি পরিবারের নিরাপত্তা ও সুনিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহাকে নির্দেশ দেন। সোমবার থেকে চন্দ্রনাথের বাড়িতে পুলিশ পাহারা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও বেরিয়ে যাওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমকে কিছু বলেননি মুখ্যমন্ত্রী। পরিবারের দাবি, যারা প্রকৃত দোষী ও এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের কঠোর শাস্তির আশ্বাস পেয়েছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করে চলে যাওয়ার পর হাসিদেবী বলেন, “উনি যে আমার বাড়িতে এসেছেন, এটা পরম সৌভাগ্য। অনেকেই পদ পেয়ে ভুলে যান। উনি মনে রেখেছেন। উনিও কান্নাকাটি করেছেন। কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি উনিও চাইছেন। তাঁর উপর আমাদের আস্থা রয়েছে।”
