বিনোদন
রুদ্রনীলের পরে রুপা ফিরলেন নন্দনে
আবার ফিরে আসছে সেই আগের দিন। বাংলা সংস্কৃতির নতুন অধ্যায় তৈরী হতে চলেছে।
বাংলা সিনেমার দর্শকদের জন্য এক বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে নন্দন। দীর্ঘদিন পর আবারও নন্দনে ফিরছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি। “প্রত্যাবর্তন” । এই ছবি ঘিরে ইতিমধ্যেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিশেষ উন্মাদনা। আগামী শুক্রবার থেকে নন্দনে প্রদর্শিত হতে চলেছে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত এই ছবি। ছবিটি শুধুমাত্র একটি সিনেমা নয়, বরং আবেগ, স্মৃতি এবং শিল্পীসত্তার এক অনন্য মেলবন্ধন, যেখানে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে দর্শকরা আবারও এক নতুন আঙ্গিকে দেখতে পাবেন। এই বিশেষ প্রদর্শনীকে ঘিরে চলচ্চিত্র মহল এবং দর্শকদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।
নন্দনের পর্দায় রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের এই “প্রত্যাবর্তন” নিঃসন্দেহে বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য বড় খবর। গত সরকারের সময় বহুবার দেখা গিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বা সাপোর্ট থাকলে তার ছবি সরকারি হলে দেখানো যাবে না। সেই অবস্থার পরিবর্তনের সূচনা হয়ে গেল। নন্দন ও রাধা সিনেমা হলে দেখা যাবে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষের ছবি। রুপা জানান,এখন থেকে এই রাজনৈতিক রং দেখে কোনও সিনেমা হলে, কোনও ছবি, কোনও সিনেমার শ্লট দেওয়া হবে কেউ করবেন না বলে আমি স্থির বিশ্বাস করি। নন্দন শুধু নয়, কোথাওই এই পক্ষপাতিত্ব থাকা উচিত নয়। যেটা এতদিন ছিল। আমার সিনেমা নন্দনে দেখানো হচ্ছে বলে যে আমি খুশি হয়ে গিয়েছি, তা নয়। প্রশ্ন হচ্ছে, প্রযোজক যে টাকা লগ্নি তৈরি করে, যে সিনেমাই বানান না কেন, সেটা নিষিদ্ধ করে দেওয়া, বা এই চ্যানেলে দেখানো যাবে না। ওই চ্যানেল কিনবে না, ওই শ্লট দেবে না বা দুপুর বেলার শ্লটে দিয়ে দেওয়া হল। এই জিনিসগুলো পশ্চিমবঙ্গে যাতে না হয়, এটা দেখার দায়িত্ব সবার। শুধু বিজেপি যাঁরা করেন, তাঁরা নয়, সকলের। সরকার পরিচালিত সব ব্যবস্থতাপনার সঙ্গে যুক্ত মানুষরাই নজর রাখবে তা নয়।
