অভিষেকের উপর হামলার নিন্দায় সরব অনেকেই
২৬ দিন বিশ্রামের পরে অভিষেক আবার নেমেছেন রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্রে। প্রথম দিন তিনি গিয়েছিলেন সোনারপুরে এক মৃত রাজনৈতিক কর্মীর বাড়িতে। যাওয়ার পড়েই বিপুল জনরোষ আছড়ে পরে তার উপর। ছোঁড়া হয় ডিম, ইট। ধাক্কা দেওয়া হয়, ছিঁড়ে দেওয়া হয় জামা। তখন আশপাশে কোনও পুলিশের দেখা মেলেনি বলেই অভিযোগ অভিষেকের। এই খবর পেয়েই উদ্বিগ্ন দেশের অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারা। একে একে ফোন আসছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। শনিবার সোনারপুরে মৃত তৃণমূলকর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়তে হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। হেলমেট পরিয়ে কোনও রকমে ওই কর্মীর বাড়িতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তারপর কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে কোনওক্রমে গাড়িতে তুলে কলকাতায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেন অভিষেককে। এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে যেতে দেখা যায় তাঁকে। হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এসেছে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর ফোন। শুধুমাত্র রাহুল গান্ধী নয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবালের তরফেয় অভিষেকের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর করা হয়েছে।
এদিন ঘটনার পরে একে একে সরব হন দেশের বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা। এক্স মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা জানান সপা নেতা অখিলেশ যাদব থেকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন প্রত্যকেই। এটা কোনও গণতন্ত্র নয় বলেই গর্জে ওঠেন তাঁরা। উল্লেখ্য আগামী ৬ জুন ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হওয়ার কথা। সম্প্রতি এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বলে সূত্রের খবর।
