Type Here to Get Search Results !

অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন অনেক তৃণমূল নেতা - পার্টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে

 অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন অনেক তৃণমূল নেতা - পার্টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে 



   বিরাট ধস নামার পরে দলের অনেকেই এবার মুখ খুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। দল পড়েছে খুবই বিড়ম্বনায়। যুবনেতা কোহিনূর মজুমদার, নাটাবাড়ির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষ থেকে শুরু করে প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, একের পর এক দলের বিশ্বস্ত নেতা অভিষেকের বিরুদ্ধে সরব হন। এরপরই দলের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে জানানো হয়েছে, এই সকল নেতাদের বক্তব্য সম্পূর্ণ তাঁদের ব্যক্তিগত। তাঁদের বক্তব্যকে দলের অবস্থান হিসেবে ধরা উচিত হবে না। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি সমাজমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে দলের কয়েকজন নেতা নিজেদের মতামত জানিয়েছেন। এই সব মতামতকে দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। 


  আমরা এবিষয়ে স্পষ্ট জানাতে চাই, গণমাধ্যমে প্রকাশিত বা সমাজমাধ্যমে শেয়ার হওয়া এই ধরনের যেকোনও বিবৃতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত মতামত হিসেবেই গণ্য হওয়া উচিত। এই বক্তব্যগুলিকে দলের অবস্থান হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। দলের অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে কোনও কিছু জানানো সেটিই একমাত্র দলের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি হিসেবে ধরা উচিত। ছাব্বিশের নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূলের অন্দরে হারের কারণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের অনেক নেতাই হারের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। তাঁরা বলছেন বলছেন, ‘অভিষেকই যত নষ্টের গোড়া। দলে কর্পোরেট কালচারটাই কাল হল।’ বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন দলের যুবনেতা কোহিনূর মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন, “হারের পিছনে এক এবং একমাত্র কারণ অভিষেক ব্যানার্জি। দলটাকে কর্পোরেট একনায়কতন্ত্রে পরিণত করল। যে দল গ্রাসরুটে মিশে থাকার কথা, তাকে নিয়ে চলে গেল ক্যামাক স্ট্রিটের ৬ তলায়। ১৯৯৮ সাল থেকে লড়াই করা নেতাদের পাত্তাই দেয়নি অভিষেক।” পাশাপাশি মালদহের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীও অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলে বলেছেন, “একজনই দলটাকে তিলে তিলে শেষ করে দিল।”

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.