লোকসভায় কাকলি আউট, কল্যাণ ইন - চিফ হুইফের পদ থেকে
লোকসভায় চিফ হুইপ এর পদ থেকে মমতা সরিয়ে দিলেন কাকলিকে, বসালেন কল্যাণকে। বৃহস্পতিবার দলীয় সাংসদদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্তই জানিয়েছেন মমতা। আর তাঁর এই সিদ্ধান্তেই স্পষ্ট হয়ে গেল দলের প্রতি আনুগত্য এবং লড়াইয়ের মনোভাবই এখন তৃণমূলের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। মাথায় রাখতে হবে, তৃণমূলের রাজনৈতিক প্রভাব তুঙ্গে থাকার সময় দলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের মধ্যে কল্যাণকে ওই পদ থেকে সরানো হয়েছিল। কিন্তু আবার কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখে পড়ে দল ফের তাঁকেই দায়িত্বে ফিরিয়ে আনল। যদিও লোকসভায় দলের নেতা হিসেবে এখনও কাজ করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ডেপুটি লিডার হিসেবে শতাব্দী রায়ও বহাল থাকলেন। তবে পদ হারালেন কাকলি। তাঁর জায়গায় চিফ হুইপ করা হল কল্যাণকে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা নিছক একটা বদল নয়। এর পিছনে রয়েছে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বার্তা।গত কয়েক মাসে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের অন্যতম আইনি ও রাজনৈতিক মুখ হয়ে উঠেছিলেন। নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময় আদালতে লড়াই থেকে রাজনৈতিক পাল্টা আক্রমণ, সব ক্ষেত্রেই তিনি আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিয়েছেন। দল আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও কারণ না জানালেও, একাধিক সাংসদের মতে আদালতে তাঁর সক্রিয় ভূমিকাই তাঁকে ফের এই পদে ফেরানোর ক্ষেত্রে কাজ করেছে।বৈঠকের পর এক প্রবীণ সাংসদ বলেন, 'কঠিন সময়ে যারা লড়াই করে, নেতৃত্ব তাদের মূল্য দেয়।'
