শুক্রবার বিকেলে প্রবল কাল বৈশাখী ঝড়ে কলকাতায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ৭ জন
এ বছরের সবচেয়ে বড় ও ভয়ঙ্কর কালবৈশাখী ঝড় হয়ে কলকাতায় ও পার্শ্ববর্তী জেলায় ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়। মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে যেন সব লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এই কালবৈশাখী-ঝড়বৃষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৭ জনের। মৃতদের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সন্ধ্যায় নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করেন, মৃতদের পরিবার পিছু চার লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে আহতদেরও। তবে তাঁদের কত টাকা দেওয়া হবে, সেটা এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, শুক্রবার বেলা আড়াইটে নাগাদ দমদমে এবং কলকাতায় ২:৪৫ মিনিটে জোড়া কালবৈশাখী হয়। দমদমে কালবৈশাখীর গতিবেগ ছিল ৭৪ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। কলকাতায় কালবৈশাখীর গতিবেগ ছিল 88 কিলোমিটার। ২ মিনিট প্রায় ৮৮ কিমি/ঘণ্টায় চলেছে ঝড়ের তাণ্ডব।
শহরের একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে। তারই মধ্যে প্রিন্সেপ ঘাটে ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। প্রিন্সেপ ঘাটে গাছ পড়ে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। চক্ররেলের ওভারহেডের ওপর গাছ পড়ে আগুন লেগে যায়। সল্টলেক-সহ কলকাতা, শহরতলির একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে। প্রিন্সেপ ঘাটে গাছ ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয় এক জনের। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই আজ ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতা-সহ বেশিরভাগ জেলাতে কালবৈশাখীর ঝড়। সঙ্গে তীব্র বৃষ্টি। জেলাতেও একাধিক জায়গায় একাধিক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সরকারি সূত্রে এদিন মোট ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
