এবার মমতাকে উল্টো অস্ত্রে আক্রমন বিজেপির।
বৃহস্পতিবার একটু বেশি রাতে রাজ্যের রাজ্যপাল ভেঙে দিলেন বিধানসভা। এ ছাড়া বিকল্প কোনো পথ ছিল না বলেই মনে করছেন নাগরিক মহল। ৭ মে পর্যন্ত ছিল তৃতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মেয়াদ। হিসেবমতো তা শেষের পর বিধানসভার আর কোনও কার্যকারিতা থাকে না। নতুন সরকার গঠনের পর ফের কাজ শুরু হয়। সেই নিয়ম মেনেই বিধানসভা ভঙ্গের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল। ভোটে পরাজয়ের পরও কারচুপির অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না বলে জানিয়েছেন। কিন্তু রাজ্যপালের নির্দেশের পর আনুষ্ঠানিকভাবে পদ না ছাড়লেও আর মুখ্যমন্ত্রী রইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত বাংলা রাষ্ট্রপতি শাসনের আওতায়।
বেশ উত্তেজনার মধ্যে শেষ হয়েছে '২৬ নির্বাচন। তার থেকেও বেশি উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল ভোটে হারার পরে মমতার অবস্থান নিয়ে। এবার একটা পরিষ্কার অবস্থা দাঁড়ালো। ছাব্বিশের ভোটে ভবানীপুর থেকে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন ‘ঘরের মেয়ে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর গণনাকেন্দ্র থেকেই অভিযোগ তোলেন, এজেন্টদের মেরেধরে বের করে ভোট লুট করেছে বিজেপি। পরেরদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ”আমরা তো হারিনি। ভোট লুট করে হারানো হয়েছে। আমি রাজভবনে যাব না, ইস্তফা দেব না। রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক। এই দিনটা বাংলার ইতিহাসে কালো দিন হিসেবে লেখা থাকবে।” সেই হিসেবে ৭ মে পর্যন্ত মমতা সরকারের মেয়াদ ছিল। আর নির্বাচিত বিজেপি সরকার আগামী ৯ মে শপথ নেবে। তাই দু’দিনের জন্য রাজ্যে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হল।
