ভোট পরবর্তী হিংসার কারণে গ্রেফতার হওয়া দলীয় কর্মীদের সাহায্য করতে কল্যাণকে নির্দেশ মমতার
ভোটের রেজাল্ট দেখে তৃণমূলের মধ্যে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রত্যেকেরই একটা অভিযোগ কমন, দলের জন্য যে কর্মীদের পুলিশ ধরেছে, তাদের সাহায্য করছে না পুলিশ। এবার ২৬ দিন পরে সেই উদ্যোগ নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী অশান্তির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দলের নেতা-কর্মীদের যেতে বলেছিল দলীয় নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে দলের আইনজীবীদের নিয়ে একটি কমিটি গড়তে হবে বলে নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতৃত্বকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কর্মীরা কোথাও কোনও মামলায় ফেঁসে গেলে তাঁদের পাশে দাঁড়াবে এই কমিটি। সেই কমিটির কাছে ইতিমধ্যে অসংখ্য জামিনের মামলার আবেদন এসে জমা পড়েছে। কলকাতা হাই কোর্টে এখন গ্রীষ্মকালীন অবকাশ চলছে। কোর্ট খুললেই সেইসব আবেদন নিয়ে আইনি লড়াই শুরু করে দেবে তৃণমূল। ইতিমধ্যে সেই প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
কি ধরনের মামলার প্রস্তুতি হচ্ছে? ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের ইস্যুতে মূলত ২০২১ সালের পরবর্তী পরিস্থিতিকে সামনে রেখে পুরনো মামলা নতুন করে খোলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিজেপির অভিযোগ, গত বিধানসভা ভোটের সময় শাসকদলে থাকার সুবাদে তৃণমূল যে জোরজুলুম করেছে তার জেরে অনেক মামলা করা যায়নি। সেইসব মামলা নতুন করে নথিবদ্ধ হচ্ছে। তৃণমূলের আইনজীবী সেলের অভিযোগ, এই সুযোগে অসংখ্য ভুয়া মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এ নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেছে তৃণমূল। এ নিয়ে আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের কর্মীদের কাছে আবেদন করেছেন, যে যেখানে এই ধরনের মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন সেই সংক্রান্ত নথি তাঁকে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক। গ্রীষ্মকালীন অবকাশের শেষে আদালতে প্রত্যেকের হয়ে জামিনের আবেদন জমা পড়বে।
