Type Here to Get Search Results !

সীমাহীন চুরির কারিগর মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার

 সীমাহীন চুরির কারিগর মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার 



  চোরদের মধ্যেও একটা স্টেটাস থাকে। কিন্তু একেবারে ছিঁচকে চোর হয়ে উঠেছিল বাপি হালদার। সরকারি ত্রাণ সামগ্রী ‘চুরি’ করে নিজের কার্যালয়ে মজুত রাখার অভিযোগে মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদারের অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা। এই ঘটনায় রবিবার সন্ধ্যায় মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মথুরাপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, সাংসদের অফিস থেকে প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। যদিও কার্যালয়ে ত্রাণ সামগ্রী মজুত করে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাংসদ। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাংসদ বাপি হালদারের কার্যালয়ে প্রচুর সরকারি ত্রাণ মজুত করে রাখা হয়েছিল। সেই খবর পেয়েই স্থানীয় মানুষজন তাঁর কার্যালয়ে হানা দেন। এরপরই বাপির অফিস থেকে বিভিন্ন সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার দুর্গত মানুষদের ত্রাণ সামগ্রী না দিয়ে মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ নিজের কার্যালয়ে ত্রাণ সামগ্রী মজুত করে রেখেছিলেন।


  চুরি’ হওয়া সেই ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার করতে স্থানীয়রা এদিন সাংসদ কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। ওই কার্যালয় থেকে ত্রিপল-সহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রীর পাশাপাশি স্যানিটারি ন্যাপকিনও উদ্ধার হয় বলে অভিযোগ। কার্যালয়ে ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাংসদ বাপি হালদার। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির পতাকা হাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। বাপির কথায়, “এদিন অফিসে চার-পাঁচজন তৃণমূল কর্মী ছিলেন। তাঁদের মারধর করা হয়েছে। বাপি বলেন, “গণতন্ত্রে এটা কখনোই কাম্য নয়। এঁরা রাজনৈতিক কোনও দলের লোক হতে পারে না। এঁরা দুষ্কৃতী। বিজেপির ঝান্ডা হাতে এই তাণ্ডব চালিয়েছে। বিজেপি যদি সত্যিই কোনও রাজনৈতিক দল হয় তবে এই আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.