মরার উপর খাঁড়ার ঘা - সাত সকালেই অভিষেকের বাড়িতে তালা ভেঙে ঢুকলো শালবনি থানার পুলিশ
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়যে যেন চারিদিক দিয়ে ঘিরে ধরা হচ্ছে। এ যেন সপ্ত রথির মার। অভিষেক নিজেও বিভ্রান্ত। ভোটে পরাজয়ের পরে এভাবে এনস্থা হতে হবে টাকে তা তিনি কল্পনাও করেন নি। কলকাতা পুলিশ নয়, সুদূর শালবনী (Salboni) থেকে এসেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। কোন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে আসতে হল জেলার পুলিশকেও, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। অভিষেকের বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পুলিশ চলে যাওয়ার পর তিনি চলে যান।আজ অভিষেকের বাড়িতে এল শালবনী থানার পুলিশ। কী কারণে তারা হঠাৎ অভিষেকের বাড়িতে এসেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উপস্থিত রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা এদিন তালা ভেঙে অভিষেকের বাড়িতে ঢোকেন। ভিতরে যান ঝাড়গ্রামের শালবনী থানার পুলিশ। কিছুক্ষণ পর শালবনী থানার পুলিশ বেরিয়ে এসে মিনিট পাঁচেক কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
বাড়ির ভিতরে অভিষেক আছেন বলেই অনুমান। বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বাড়ির বাইরে ভিভিআইপি গাড়ি দেখা যায়, যেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবহার করেন। পুলিশ চলে যাওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বেরিয়ে যান। সূত্রের খবর, অর্থের বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত করতে এসেছিল শালবনী থানার পুলিশ। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ। সেই সূত্রেই অভিষেকের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ তারা অভিষেকের বাড়ির ভিতরে ছিলেন। পরে তারা বেরিয়ে গেলেও, এখনও কলকাতা পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন রয়েছে।