Type Here to Get Search Results !

"কেউ টাকার লোভে, কেউ এজেন্সির ভয়ে দল ছেড়েছে " - অভিষেক

 "কেউ টাকার লোভে, কেউ এজেন্সির ভয়ে দল ছেড়েছে " - অভিষেক 



  শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে। স্পিকারের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে এসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধানের তোয়াক্কা  না করে অন্য দলে যুক্ত হয়েছেন ২০ জন সাংসদ। তাঁর চ্যালেঞ্জ, ক্ষমতা থাকলে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভোটে দাঁড়ান। স্পিকারের কাছে কাকলিদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বিস্ফোরক দাবি, টাকায় বিক্রি হয়েছেন সাংসদরা। কেউ কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভয়ে, কেউ বা টাকার লোভে এই পদক্ষেপ করেছেন। দিল্লিতে সংসদ ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলেন, “এই ২০ জন যেভাবে বেইমানি করে, সংবিধানকে অস্বীকার করে, অমান্য করে, জনমতের সঙ্গে খেলে নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়েছেন, বাংলার মানুষ ক্ষমা করবেন না। ওঁদের মধ্যে অনেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছেন। আমি বলছি, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে নিজের লোকসভা কেন্দ্রে যান। কোনও মানুষ পাবেন না, যাঁরা ওনাদের পাশে দাঁড়াবেন।”


  এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই অভিষেক দাবি করেছেন, কোনও না কোনও পরিস্থিতির শিকার হয়েই ২০ জন NCPI যোগ দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “কারোর ইডির হাত থেকে বাঁচার প্রয়োজন, কারোর সিবিআই-এর হাত থেকে বাঁচার প্রয়োজন, কেউ পয়সা পাচ্ছেন, কাউকে শাসানো হচ্ছে।” চ্যালেঞ্জের সুরে তিনি বলেন, “আমি যখন এরকম কথা বলছি, আমার হাতে অকাঠ্য প্রমাণ আছে। নয়তো কোনও সাংসদের যদি আমার কথা আপত্তি থাকে, তাহলে আমার বিরুদ্ধে কেস ফাইল করতে পারেন, আমি আদালতে প্রমাণ দিয়ে দেব।” অভিষেকের দাবি, ২০ জন সাংসদকে ডিসকোয়ালিফাই করতে হবে। তাঁর স্পষ্ট যুক্তি, সংবিধানের দশম তফসিলে  বলা রয়েছে, সংসদীয় দলের দুই তৃতীয়াংশ সাংসদ যদি চলে যান, তাহলে কখনই তা বৈধ বলে গ্রহণযোগ্য হবে না। এক্ষেত্রে পার্লামেন্টের একাধিক রুলসের কথা বলেন তিনি। তাঁর যুক্তি রাজনৈতিক দলের দুই তৃতীয়াংশ এক্ষেত্রে যেতে হবে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.