Type Here to Get Search Results !

স্বরূপ অনুগামীদের সঙ্গে প্রতিবাদী জানতার সম্মুখ সমর নিউ আলিপুর থানার বাইরে

 স্বরূপ অনুগামীদের সঙ্গে প্রতিবাদী জানতার সম্মুখ সমর নিউ আলিপুর থানার বাইরে



  সারা রাজ্যের প্রতিবাদের সুরকে কিছুতেই আন্দাজ করতে পারে নি স্বরূপ বিশ্বাসের কিছু অনুগামী। তার ফল হাতেনাতে পেয়েছে শুক্রবার রাতে। স্বরূপের দুর্নীতির আঁচ গিয়ে পড়েছে তাঁর এক ‘শিষ্যে’র উপরেও। এদিন তাঁকে ধাওয়া করে বেধড়ক মারধর করেন একদল উত্তেজিত জনতা। মারমুখী জনতার হাত থেকে বাঁচতে নিউ আলিপুর থানায় ঢুকে পড়েন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ পর সেই ব্যক্তি থানা থেকে বেরতেই পের অগ্নিগর্ভ হয় পরিস্থিতি। নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় নিউ আলিপুর থানার বাইরে। থানায় থেকে বেরনোর পর ওই ব্যক্তিকে সামনে পেতেই ফের শুরু হয় মারধর। চলে কিল, চড়, ঘুষি। এখানেই শেষ নয়, পাল্টা ময়দানে নামে ‘দাদা’ স্বরূপের অনুগামীরা। জানা গিয়েছে, স্বরূপের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় এক ব্যক্তিকে বেদম মারধর করতে থাকেন তাঁরা। হেলমেট দিয়ে মেরে নাক-মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্বরূপ অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এরপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিউ আলিপুর থানার সামনে আছড়ে পড়ে ক্ষুব্ধ জনতার বিক্ষোভ।


  স্বরূপ অনুগামী ও ক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে শুরু হয় বাদানুবাদ। দু’পক্ষের হাতাহাতিও বেধে যায়। একে অপরকে লক্ষ্য করে ব্যাপক মারধর চলে। মুহুর্তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় নিউ আলিপুর থানা সংলগ্ন এলাকা। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে যেতেই নামানো হয় র‌্যাফ। রীতিমতো লাঠি উঁচিয়ে এলাকা খালি করে বাহিনী। শুক্রবার বিকেলে অরূপ ও স্বরূপের ক্লাব সুরুচি সংঘে ব্যাপক ভাঙচুর করে উন্মত্ত জনতা। তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়েন তারা। উপরের ঘরে উঠে চক্ষু ছানাবড়া বিক্ষোভকারীদের। উপরের ঘরে রাখা কিং সাইজ বেড। রাখা হয়েছে দু’টি চেয়ার। এসি লাগানোও ছিল। যদিও স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি ওই এসি খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সিলিং ফ্যান দেখলেও স্পষ্ট তা নেহাত কম দামি নয়। ওই ঘর লাগোয়া শৌচালয়। তা-ও বেশ বিলাসবহুল। শৌচালয়ের মাথায় বনবন করে ঘুরছে পাখা। শুধু তাই নয়, সুরুচি সংঘে ঘুরপথে সরকারি জিনিসপত্র আমদানি হত বলেও অভিযোগ তোলেন তারা। ওই ক্লাবঘরের সঙ্গে থাকা আরেকটি ঘরে রাশি রাশি রাখা সরকারি জল ‘প্রাণধারা’র বোতল পাওয়া গিয়েছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.