রবিবার নয়, শনিবারই দিল্লি পৌঁছালেন অভিষেক
অভিষেক জানেন, যত গন্ডগোলের কেন্দ্রে তিনি। তবুও সেই সমস্যার সমাধানে তিনিই দিল্লি পৌছালেন। লোকসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদদের ক্ষোভ তাঁকে নিয়েই। আগামিকাল (রবিবার) তাঁর দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল। একদিন আগেই অভিষেকের দিল্লি যাওয়া নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকে তৃণমূলের অন্দরে ক্ষোভ বাড়ছে। আর সেই ক্ষোভ যে কতদূর পৌঁছেছে, তা দলের ৬০ জন বিধায়কের ‘নব তৃণমূল ব্লক’ গঠনেই স্পষ্ট। বিধানসভায় এখন দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সেরকম সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে লোকসভাতেও। জল্পনা বাড়ছে, সোমবার লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তৃণমূলের ‘বিক্ষুব্ধ’ সাংসদরা।
অভিষেককে তাঁরা লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা মানেন না বলে দাবি জানিয়ে চিঠি দিতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে সোমবার (৮ জুন) দিল্লিতে ইন্ডি জোটের বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের। এর জন্য আগামিকাল (রবিবার) দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের। কিন্তু, এদিনই তিনি দিল্লি রওনা দেন। অভিষেকের এদিন দিল্লি যাওয়ার বিষয়টি কার্যত কাকপক্ষীও টের পায়নি। সংসদে ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের আটকাতে কি শেষ মরিয়া চেষ্টা করছে তৃণমূল? তার জন্যই কি তড়িঘড়ি দিল্লি উড়ে গেলেন অভিষেক? এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা বাড়ছে এদিন অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি রওনা দেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। জানা গিয়েছে, দিল্লি পৌঁছে সাউথ অ্যাভিনিউতে নিজের বাসভবনে উঠেছেন অভিষেক। এখনও পর্যন্ত সাংসদদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। এখন দেখার, লোকসভায়ও তৃণমূলের ভাঙন আটকাতে পারেন কি না অভিষেক।