বিনোদন
স্ত্রী ছেড়ে দিতেই জীবন হয়ে উঠেছিল নরক - প্রতিদিন মন্দিরে গিয়ে কাঁদতেন
টিভি অভিনেতা শালীন ভানোট তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় স্মরণ করতে গিয়ে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। একটা সময় ছিল যখন তাঁর মনে হয়েছিল তাঁর জীবনটা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। স্ত্রী দলজিৎ কৌরের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শালীন মানসিক ও আবেগগত চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অভিনেতা প্রকাশ করেছেন যে, বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি এতটাই বিপর্যস্ত ছিলেন যে তিনি মুম্বই ছেড়ে তাঁর নিজ শহর জব্বলপুরে ফিরে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেই সময় তাঁর মনে হয়েছিল জীবনে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। গণমাধ্যমের অবিরাম মনোযোগ, জনসমক্ষে গুজব এবং তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা তাঁকে একেবারে ভেঙে দিয়েছিল। আবরা কা ডাবরা’ টক শো-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শালিন সেই সময়ের তাঁর দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন। তিনি জানান যে, বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর তাঁর মন ও হৃদয় এতটাই ভেঙে গিয়েছিল যে তাঁর মনে হয়েছিল জীবনটাই শেষ হয়ে গেছে। তিনি এতটাই হতাশ ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে, স্বপ্নের শহর মুম্বই ছেড়ে নিজের শহর জব্বলপুরে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
শালিন ব্যাখ্যা করেছেন যে দলজিতের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর, মানুষ তাঁর কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে। সমালোচনা, বিদ্রূপ এবং গণমাধ্যমের অবিরাম নজরদারি তাঁকে অসহায় করে তুলেছিল। তিনি প্রতিদিন জব্বলপুরের মন্দিরে গিয়ে ঈশ্বরের সামনে কাঁদতেন এবং ভাবতেন কীভাবে এক নিমেষে তাঁর সমস্ত স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। জবলপুরে থাকাকালীন শালিনের জীবনে এক নতুন মোড় আসে। একদিন যথারীতি মন্দিরে যাওয়ার সময় তিনি মুম্বই থেকে একটি নতুন টিভি শো-এর প্রস্তাব পান। তিনি কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু একটি নতুন এবং অদ্ভুত সমস্যা দেখা দেয়। সমস্যাটি ছিল যে মুম্বই ফিরে যাওয়ার পর তার থাকার কোনো জায়গা ছিল না।