Type Here to Get Search Results !

দিঘার কাছেই চন্দনেশ্বর শিব মন্দিরে হাজার হাজার ভক্তের ঢল নামে

 পূজা-পার্বন 


দিঘার কাছেই চন্দনেশ্বর শিব মন্দিরে হাজার হাজার ভক্তের ঢল নামে 



  চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে চন্দনেশ্বর শিব মন্দিরের লক্ষ লক্ষ ভক্তের ভিড়। ৫০০ বছরের প্রাচীন চন্দনেশ্বর শিব মন্দির। উপকূলীয় শহর দিঘা থেকে মাত্র ছ'কিলোমিটার দূরেই রয়েছে এই চন্দনেশ্বর শিব মন্দির। প্রতিবছর চৈত্র মাসের শেষে চড়ক মেলা হয় এই মন্দিরে। ওড়িশার পাশাপাশি বাংলার লক্ষ লক্ষ ভক্ত ভিড় জমান।চন্দনেশ্বর মন্দির ওড়িশা রাজ্যের বালেশ্বর জেলার অন্যতম প্রাচীন মন্দির। বাংলা সীমান্তবর্তী এই মন্দির হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বহু ভক্ত বছরের শেষ দিনে এখানে ব্রত পালনে আসেন। এই মন্দিরে লিঙ্গরূপী শিব পুজিত হন চন্দনেশ্বর নামে। কথিত আছে, এই স্থান এক সময় গভীর অরণ্য ছিল এবং এখানে সাধনার মাধ্যমে এক ঋষি মহাদেবকে সন্তুষ্ট করেন। চন্দন নামক এক ব্রাহ্মণ ছিলেন যিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাভরে শিবের পুজো করতেন এই স্থানে। তাঁর নাম অনুসারেই শিবলিঙ্গের নাম হয় চন্দনেশ্বর।


   প্রতিবছর চৈত্র মাসে চন্দনেশ্বর মন্দিরে চৈত্র মেলা বসে।লক্ষ লক্ষ ভক্ত বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে নিঃসন্তান দম্পতি, মনস্কামনা পূরণের জন্য চন্দনেশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন। অনেক ভক্ত আবার পায়ে হেঁটে এখানে দর্শনে আসেন, অনেক সময় কাঁধে জল নিয়ে আসেন ভক্তরা। কথিত আছে ভক্তদের রোগব্যাধি দূর করা। বিভিন্ন মনস্কামনা পূরণ। সংস্কারে শান্তি ফেরানো। - এমন হাজারও সমস্যায় এই মন্দির বড় ভরসাস্থল। সেই কারণে, দূর-দূরান্ত থেকে সংসার পরিত্যক্ত মহিলারা এখানে ভিড় করেন। ভগবানের কাছে হত্যে দেন। তাতে নাকি কাজও হয় বলেই দাবি ভক্তদের। পাতাল ফুঁড়ে উঠে আসায় এখানে শিব স্বয়ম্ভূ। কথিত আছে, আগে এখানে ছিল হোগলা বনের জঙ্গল আর কাজুর গাছ। সেখানেই লক্ষ্মী নামে এক মহিলা শিবলিঙ্গটির দর্শন পান। তিনি গোরু চরাতে বের হতেন। কিন্তু, সেই গোরু ঠিকমতো দুধ না-দেওয়ায় পরিবারের লোকজন লক্ষ্মীকেই বাড়িছাড়া করেছিল। সেই সময়ই লক্ষ্মী নিজের গোরুর পিছু নিয়ে দেখতে পান, গোরুটি এক চম্পক গাছের তলায় শিবলিঙ্গের ওপর নিজে থেকেই দুধ দিচ্ছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.