রবিবার রাতে আবার চালু 'বুলডোজার কালচার', প্রতিবাদে পথে বামপন্থীরা, আটক সৃজন
উত্তর প্রদেশের কায়দায় এই রাজ্যেও চালু হয়েছে 'বুলডোজার কালচার'। বিরোধী হিসাবে পথে আছে কেবল বামপন্থীরা। সব প্রতিরোধের চেষ্টা ব্যর্থ। রবিবার রাতেই যাদবপুরে স্টেশন চত্ত্বরে বুলডোজার অভিযান। বাম-কংগ্রেসের হাজার চেষ্টার পরও 'অ্যাকশন' আটকানো গেল না। প্রতিরোধ ভাঙতে হল লাঠিচার্জ। অন্যদিকে বুলডোজার ভাঙল হকারের দোকান। যার জেরে রাতেই রণক্ষেত্র হয়ে উঠল যাদবপুর।
এ দিন যে যাদবপুরের স্টেশন চত্ত্বরে উচ্ছেদের নোটিশ পাওয়া দোকানগুলিতে বুলডোজার চলতে পারে, তেমন আশঙ্কাই ছিলই। তারপরই সেখানে উপস্থিত হতে থাকেন বাম এবং কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। তবে তাঁদের উপস্থিতিতেও আটকানো যায়নি বুলডোজারের কার্যকলাপ। বরং রাতেই ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একাধিক দোকান।
যতদূর খবর, রবিবার রাতেই যাদবপুর স্টেশন চত্ত্বরে উপস্থিত হতে থাকে বুলডোজার। তারপরই সেখানে জমায়েত শুরু করেন বাম এবং কংগ্রেসের একাধিক নেতা। সেখানে ধীরে ধীরে যান সৃজন ভট্টাচার্য, সুজন চক্রবর্তীর মতো বাম নেতারা। এছাড়া প্রদীপ প্রসাদ, সৌরভ প্রসাদ, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায় সহ কংগ্রেস নেতা ও কর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হন। প্রথমে তাঁরা প্রতিবাদ শুরু করেন। এরপর উপস্থিত পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। হকারদের পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করা যাবে না বলে স্লোগান উঠতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে প্রথমে বুলডোজারের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে শুরু হয়ে যায় লাঠিচার্জ বলে অভিযোগ। সেই সঙ্গে অ্যাকশন শুরু করে দেয় বুলডোজার। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় স্টেশন চত্ত্বরের দোকান। তার জেরেই মুহূর্তে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বাম এবং কংগ্রেসের অভিযোগ, পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় অনেক নেতা এবং কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনায় সিপিআইএম নেতা তথা এসএফআই-এর সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতা ও কর্মীদের আটক করা হয়েছে বলে খবর।