বাংলায় বিজেপির প্রথম বাজেটে কি কি হতে চলেছে?
আর কিছুক্ষনের মধ্যেই বাংলায় বিজেপির প্রথম অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বাজেট পেশ করতে চলেছেন। স্বাভাবিক কারণেই সেই বাজেট নিয়ে সকলের সীমাহীন কৌতূহল। নতুন সরকারের আর্থিক রূপরেখার ইঙ্গিত মিলতে পারে বাজেটে। প্রথমবার বাজেট পেশের আগে স্বপন দাশগুপ্ত বার্তা দিয়েছেন, “যতটাই করতে পারি, এই বাজেটে করব। আর সামনের দিনে কী করতে চাইছি, সেটা আমরা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করব।”
নতুন অর্থমন্ত্রীর কাছে কী কী চ্যালেঞ্জ?
১৮ জুন থেকে শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। বাজেট পেশের আগে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ও নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান অশোক লাহিড়ির সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যের বিপুল ঋণের বোঝা ( প্রায় ৮ লক্ষ কোটি) সামলে উন্নয়নের গতি বজায় রাখা নতুন অর্থমন্ত্রীর প্রধান চ্যালেঞ্জ। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭.৮ লক্ষ কোটি টাকা। শিল্পমহলের নজরও বাজেটের দিকে-
মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের আশা, নতুন বাজেটে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। উৎপাদন শিল্পের বিদ্যুৎ খরচ কমাতে ঘোষণার প্রত্যাশাও রয়েছে শিল্পমহলের। আগামিকালের বাজেটে শিল্প ও কর্মসংস্থানে জোর দেওয়া হতে পারে। আসতে পারে নতুন শিল্পনীতি। নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। বৃহৎ বিনিয়োগ টানতে রাজ্যের শিল্পনীতিতে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই একাধিক শিল্পগোষ্ঠী রাজ্যে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে দাবি সরকারের। আদানি ও জিন্দাল গোষ্ঠীর সঙ্গে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে সূত্রের খবর। গভীর সমুদ্র বন্দর ও হুগলি নদীর তলদেশে টানেল প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। বাংলা ছেড়ে যাওয়া শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে ফের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবনাচিন্তাও রয়েছে নতুন সরকারের। এসবের ছাপ পড়তে পারে বাজেটে। ডিএ নিয়ে ঘোষণা হবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। প্রথমবার বাজেট পেশের আগে স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, “মানুষ অনেক আশা নিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছেন। মানুষ একটা বিরাট বড় পরিবর্তন চাইছে। আমাদের ভান্ডারে কতটা টাকা রয়েছে, সেটা ভেবেচিন্তেই পুরো একটা ব্যালেন্স করে করতে হচ্ছে। কিন্তু, একটা দিশা আমরা দেখাব। "