মাত্র ২ মাসের ব্যবধানে মমতার পিছনে হাঁটার লোকসংখ্যা নেই বললেই চলে
এটাই হয়তো রাজনীতিতে ঘটে। কিন্তু এমন নির্মমভাবে ঘটবে ঘটবে তা কেউ কল্পনা করতে পারেনি। মাস দুয়েকের ব্যবধানে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। তিনি এখন বিরোধী আসনে। তাঁর আশপাশে এখন ফাঁকা। পাশ ছেড়েছেন সঙ্গীরা। বেশিরভাগই এখন বিক্ষুব্ধ, নাম লিখিয়েছেন অন্য শিবিরে, কেউ আবার ব্যস্ত হয়েছেন নিজ নিজ পেশায়, কেউ সুযোগ বুঝে পাশ কাটিয়েছেন, কেউ কেউ আবার এখন হাজতে। এদিনে মমতার পদযাত্রায় আর দেখা গেল না পরিচিত মুখগুলো। দেখা গেল কেবল দোলা সেন, কুণাল ঘোষকে। ছবিতেই ধরা পড়ে ফারাক। সেদিন যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেঁটেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের প্রাইম আওয়ার্সে চলছিল সে খবর। চাঁদের হাট সেই পদযাত্রায়। কে ছিলেন না সেইসব দিনে পদযাত্রায়। তারকা থেকে শুরু করে দাপুটে নেতানেত্রীরা। মমমতার আশপাশে প্রথম সারিতে আসার প্রয়াস ছিল আপ্রাণ। টলিউড-টেলি দুনিয়ার তারকারা, বুদ্ধিজীবীরা সকলেই ছিলেন।
কেবল নির্বাচনী প্রচারের আগে নয়, এর আগে ১৬ মার্চ, রান্নার গ্যাস এবং সিএনজি (CNG) এর মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত পদযাত্রায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। তখনও চিত্রটা ছিল এক। কিন্তু মাস দুয়েকের ব্যবধানে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। তিনি এখন বিরোধী আসনে। তাঁর আশপাশে এখন ফাঁকা। পাশ ছেড়েছেন সঙ্গীরা। বেশিরভাগই এখন বিক্ষুব্ধ, নাম লিখিয়েছেন অন্য শিবিরে, কেউ আবার ব্যস্ত হয়েছেন নিজ নিজ পেশায়, কেউ সুযোগ বুঝে পাশ কাটিয়েছেন, কেউ কেউ আবার এখন হাজতে। এদিনে মমতার পদযাত্রায় আর দেখা গেল না পরিচিত মুখগুলো। দেখা গেল কেবল দোলা সেন, কুণাল ঘোষকে। সাম্প্রতিক ভোট পরবর্তী বিক্ষোভের ঘটনায় ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে ঘাটতি নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করে দাবি করেছিলেন যে মঞ্চে দলের নেতাকর্মীদের ভিড় বেশ পাতলা ছিল।