Type Here to Get Search Results !

এই গাছেই আশ্রয় নিয়েছিলেন বিপন্ন রবিন হুড - অবশেষে তার মৃত্যু হলো

 অফবিট 


এই গাছেই আশ্রয় নিয়েছিলেন বিপন্ন রবিন হুড - অবশেষে তার মৃত্যু হলো 



  শেরউডের বিখ্যাত এই গাছটির নাম ‘দ্য মেজর ওক’। ১৯৭০ সালে ইংরেজ প্রত্নতত্ত্ববিদ তথা ব্রিটিশ জওয়ান মেজর হেইম্যান রুকের লেখা একটি বইটিতে এই গাছটির প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। ইংল্যান্ডের শেরউড জঙ্গলের রবিন হুডের স্মৃতি বিজড়িত ১২০০ বছরের প্রাচীন সেই বৃক্ষের মৃত্যু হয়েছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী তেমনটাই জানা যাচ্ছে। প্রাণ বাঁচাতে এককালে এই গাছেই লুকিয়ে ছিলেন বিপন্ন রবিন হুড। শেরউডের বিখ্যাত এই গাছটির নাম ‘দ্য মেজর ওক’। ১৯৭০ সালে ইংরেজ প্রত্নতত্ত্ববিদ তথা ব্রিটিশ জওয়ান মেজর হেইম্যান রুকের লেখা একটি বইটিতে এই গাছটির প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। সেখান থেকেই এর নামকরণ হয় ‘দ্য মেজর ওক’। বিশাল এই গাছটির কাণ্ড প্রায় ১১ মিটার চওড়া। ডালপালার বিস্তার প্রায় ২৮ মিটার। শেরউডের জঙ্গলে এই গাছটি পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ ছিল। প্রতি বছর এটি দেখতে সেখানে ভিড় জমাতেন বহু মানুষ। 


  গাছটিকে বাঁচাতে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে একাধিক পদক্ষেপও করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণেও বিশেষ নজর দেওয়া হত। কিন্তু জানা যাচ্ছে, চলতি বছর ইংল্যান্ডে বসন্ত এসে গেলেও গাছটিতে কোনও পাতা গজায়নি। সেখান থেকেই বিজ্ঞানীদের অনুমান, বৃক্ষটির মৃত্যু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, তীব্র দাবদাহ, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই মৃত্যু হয়েছে ঐতিহাসিক সেই বৃক্ষের। ধনীদের অর্থ-সম্পদ চুরি করে গরিবদের বিতরণ করে দিতেন রবিন হুড। ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামশায়ারে শেরউড জঙ্গল তাঁর গোপন আস্তানা হিসাবে পরিচিত। নটিংহ্যামশায়ারে অত্যাচারী শেরিফের হাত থেকে বাঁচতে রবিন হুড তাঁর দলবল নিয়ে সুবিশাল এই গাছে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এটিই তাঁদের বেঁচে থাকার ঠিকানা হয়ে ওঠে। তারপর থেকে বৃক্ষটি লোকমুখে ‘রবিন হুড ট্রি’ নামেই বিখ্যাত হয়ে ওঠে। কিন্তু ১২০০ বছরের প্রাচীন সেই গাছটির অবশেষে মৃত্যু হল।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.