রাত ১০টা ২ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে অভিষেক বললেন, আবার ডাকলে আবার আসবো
কথায় আছে 'বাঘে ছুঁলে ১৮ ঘা আর পুলিশে ছুঁলে ৩৬ ঘা'। অভিষেককে বাঘে ছুঁয়েছেছে। এর পরেই হয়তো একদিন বলবে অভিষেককে গ্রেফয়ার করা হলো। এই মুহূর্তে অবশ্য অভিষেক আদালতের 'রক্ষাকবচে' আছেন। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সোমবার সিজিও কমপ্লেক্সে ১১ ঘণ্টার বেশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। রাত ১০টা ২ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। আর সেখানে দাঁড়িয়েই বলে গেলেন, তাঁকে আবার ডাকলে তিনি তদন্তে সাহায্য করতে উপস্থিত হবেন। একইসঙ্গে বিজেপিকেও এদিন নিশানা করেন তিনি। এদিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন অভিষেক। ইডি সূত্রে খবর, মধ্যাহ্নভোজ ও সন্ধেয় টিফিনের জন্য কিছুটা সময় দেওয়া হয় তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডকে। বাকি সময় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা গিয়েছে, এদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর আপাতত তলব করা হয়নি তাঁকে।
এদিন রাত ১০টার পর সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, “এই মামলায় আমাকে শেষবার ডাকা হয়েছিল ২০২৩ সালের নভেম্বরে। তার আগেও ডাকা হয়েছে। সবমিলিয়ে আমাকে ১০-১২ বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী, সাহায্য করেছি।” এরপরই তিনি বলেন, “রাজনৈতিক চাপ রয়েছে কি না, তা নিয়ে আমি যাব না। কারণ বিজেপিকে নিয়ে যত কম বলা যায়, তত ভালো। তবে বিরোধীশূন্য করার চেষ্টা গত একমাস ধরে করা হয়েছে।”