সন্দেশখালি পুকুর থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করলো STF
সন্দেশখালি বহুদিন থেকেই খবরের শিরোনামে। শেখ শাজাহানের সাম্রাজ্য ছিল সন্দেসখালি। তখন তার ভয়ে মানুষ ও গোরু এক ঘাটে জল খেত। এখন শাহজাহান জেলে থাকলেও কী হবে, তার কিছু চ্যালা তো বাইরেই আছে। তৃণমূল নেতার বাড়ি লাগোয়া পুকুরে অস্ত্রের ভাণ্ডার। সন্দেশখালিতে হানা এসটিএফের। সন্দেশখালির মণিপুরের দাপুটে তৃণমূল নেতা রবিন দাস ও তাঁর ভাই গোপাল দাসের বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। দু’জনেই শেখ শাহাজাহানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে জানা যাচ্ছে। তাঁদের বাড়ি, বাড়ি লাগোয়া এলাকার পাশাপাশি তল্লাশি চলে পুকুরেও। তখনই বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার হয় বলে জানা যাচ্ছে। এলাকায় অশান্তি পাকানোর জন্য এই অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। খবর চাউর হতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। প্রচুর লোকজন এলাকায় ভিড় করতে শুরু করেন। এসটিএফের তদন্তকারীদের সঙ্গেই সন্দেশখালি খানার পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও এলাকায় রয়েছেন।
তল্লাশি চলেছে গোটা এলাকাতেই। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন থেকেই এলাকার সাধারণ মানুষের উপর অত্য়াচার চালানোর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের। এখন অস্ত্র উদ্ধারের খবরে সুর চড়াচ্ছে বিজেপিও। বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলছেন, “পুকুর থেকে তো আগে মাছ উঠতো। তৃণমূল না থাকলে তো জানতে পারতাম না গুলি-বোমা-বন্দুক এগুলোও নাকি ওঠে। এরা আসলে পৃথিবীর নবম আশ্চর্য।” এখানেই না থেমে সুর আরও চড়িয়ে তিনি বলেন, “এরা রাজ্যটাকে যে কোন জায়গায় নিয়ে গিয়ে দাঁড় করিয়েছিল সেটা প্রতিদিন প্রমাণ হচ্ছে। যদি নির্বাচনের ফলাফল উদ্ধার হতো তাহলে তো আগ্নেয়াস্ত্রগুলো তো আর পুকুরে থাকতো না। সাধারণ মানুষের উপর হামলা হতো। "