মদন মিত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত রসিকতা কুনাল ঘোষের
কালীঘাট তৃণমূল থেকে প্রায় প্রতিদিন কোনও না কোনও নেতা যোগ দিচ্ছেন ঋতব্রত শিবিরে। এর মধ্যে মদন মিত্রের যোগদান নিয়ে শোরগোল পড়েছে রাজনৈতিক মহলে। স্ত্রী ও পুত্রদের ইডি নোটিস পাঠানোর পরদিনই ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন। আর সেই মদনকে এদিন দেখা গেল কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের পাশে। সেখানেই মদনের পাশে দাঁড়িয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষ ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন। বললেন, “আমরা এটুকু জেনে রাখছি, আমাদের ভেতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল।” মুহূর্তের মধ্যে অবশ্য জবাব দিলেন মদনও। তিনি বলেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে দশ বছর বিরোধী আসনে দেখতে চান তিনি।
সোনম ওয়াংচুককে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে হস্তক্ষেপ করতে হবে। এই দাবিতে বিধানসভার বি আর আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে এদিন অবস্থানে বসেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়করা। সেখানে দেখা যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, কুণাল ঘোষ, আলিফা আহমেদ, বীণা মণ্ডল, রুকবানুর রহমান, বাবর আলি, অসীমা পাত্রদের। কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের অবস্থানের সময় হঠাৎ সেখানে চলে আসেন মদন মিত্র। সেখানেই মদনের পাশে দাঁড়িয়ে কুণাল বলেন, “শারীরিকভাবে হয়ত ওদিকে গিয়েছেন। কিন্তু, মদনদাও বিশ্বাস করেন, ধর্ষক কে। মদনদার মন অন্যদিকে পড়ে রয়েছে। কাপুরুষের মতো ইডি দিয়ে বৌদি আর ছেলেদের নোটিস দিয়েছে। ফলে আমরা চাই, মদনদাও ভালো থাকুক। দু-চারদিন যা মন চায়, প্রাণ চায় বলুক। আমরা এটুকু জেনে রাখছি, আমাদের ভেতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল।”তাহলে কি ঋতব্রত শিবিরে স্পাই ঢোকাচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল? কুণালের মন্তব্যের পরই এই নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। যদিও কুণালের বক্তব্যের পরই মদন বলেন, “আমি চাই, শোভনদা (শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়) আগামী দশ বছর বিরোধী আসনে বসুক।”
