Type Here to Get Search Results !

আবার মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ অনুব্রতর

 আবার মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ অনুব্রতর 



  মমতার প্রিয়জনদের মধ্যে অবশ্যই অন্যতম ছিলেন অনুব্রত মন্ডল। অনুব্রত ছাড়াও অনেকেই ছিলেন মমতার ছায়াসঙ্গী। আজ তিনি প্রায় সঙ্গিহীন। এই অবস্থায় মমতার বিরুদ্ধে আবার সরব হলেন মমতার প্ৰিয় কেষ্ট। বুধবার বলেছিলেন, উনি কানে দেখেন, চোখে দেখেন না। আর বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিনে রথের দড়িতে টান দিয়েই বোলপুরে নিচুপট্টির বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেগে ঘুমলে কী আর সাড়া পাওয়া যায়। এক প্রকার তৃণমূল-কংগ্রেসের ভরাডুবি নিয়ে ক্ষোভ যেন প্রশমণ হচ্ছেই না অনুব্রতর। দলের পতনের জন্য ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী’ বলে আঙ্গুল তুললেন বীরভূমের কেষ্ট৷ পাশাপাশি, কেষ্টর পরামর্শ যদি ‘বুদ্ধিমতী হন’ তাহলে সবাইকে নিয়ে চলবেন মমতা৷ ২১ জুলাইয়ের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলে ভালো করবে। কেউ আসতে মানা করবে না। তাঁর বক্তব্য, “সকলে মিলেই খুবই কষ্ট করে দল করেছিলাম। সিপিএমকে তাড়িয়েছিলাম।”


  সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে নাম লিখিয়েছেন বীরভূমের অনুব্রত। জেলার সভাপতির পদ ফিরে পাওয়ার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা তুলে ধরে নিশানা শানিয়েছেন কেষ্ট৷ ফের একবার আইপ্যাককে দুষে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল আরও বলেন, “দলটাকে অনেক কষ্ট করে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছিলাম। কলকাতার প্রতিটি মিটিংয়ে লক্ষ লক্ষ লোক নিয়ে যেতাম৷ আমরা পুরনো কর্মীরা সব ইতিহাস জানি। এই দলটা কি করে চলে গেল? আমি অন্য কাউকে নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করবো। কীসের আইপ্যাক। আইপ্যাক কী করবে৷ কী জানে ওরা? গ্রামের মানুষের ভাষা বোঝে! আইপ্যাকের দ্বারা কি কোনও সংগঠন হয়?” তিনি বলেন, “এক সময় একুশে জুলাই ব্রিগেড হত। আমরা হাজার হাজার লোক নিয়ে যেতাম। এক পয়সা কলকাতা দিত না। ভোরবেলা থেকে মুড়ি খেয়ে কর্মীরা যেত, আর সামনের সারিতে বসে থাকতো যত সিনেমা ও সিরিয়ালের আর্টিস্টরা৷

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.