কোয়াটার ফাইনালে ফ্রান্স
এমবাপের হাত ধরে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স। প্যারাগুয়ের রক্ষণ ভাঙতে বেশ কিছুটা কষ্ট করতে হল দিদিয়ের দেশঁর দলকে। আগাগোড়া দাপট বজায় রাখলেও গোলের দেখা মিলল ৭০ মিনিটে গিয়ে। পেনাল্টি থেকে কিলিয়ান এমবাপের একমাত্র গোলে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল ফ্রান্স। দক্ষিণ আমেরিকার দেশের সফর থামল ঠিকই। তবে শারীরিক ফুটবল ও আটসাঁট রক্ষণে গতবারের রানার্সআপ দলকে চাপে রাখার পদ্ধতি দেখিয়ে দিলেন অরল্যান্ডো গিলরা।
শেষ ষোলোর ম্যাচে ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রবল গরমে সমস্যায় পড়তে হয়েছে দুই দলকেই। তার উপর চোটের জন্য ফ্রান্সের মাঝমাঠে ছিলেন না চুয়ামেনি। শুরু থেকে বলের দখল রাখলেও শারীরিক ফুটবলে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে ফরাসিরা। একাধিকবার সুযোগ তৈরি করেও কিছুতেই গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না এমবাপেরা। আগের ম্যাচে এভাবেই জার্মানিকে টাইব্রেকারে টেনে নিয়ে গিয়ে হারিয়েছেন মিগুয়েল আলমিরনরা।
এই ম্যাচেও একই পরিকল্পনা নিয়ে নেমেছিল প্যারাগুয়ে। তার মধ্যে মাঠের মধ্যে পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকে। ক্রমাগত ধাক্কাধাক্কি ও ফাউলে একসময় ঝামেলা বাঁধে দুই দলের মধ্যে। প্রথমার্ধে বার্কোলাদের বিচ্ছিন্ন কয়েকটি আক্রমণ ছাড়া গোলের দেখা পায়নি কোনও দলই। দ্বিতীয়ার্ধেও ছবিটা একই রকম। ফ্রান্সের পায়ে বল। কিন্তু প্যারাগুয়ের রক্ষণে কোনও ফাটল নেই। ম্যাচ শেষে ৭৬ শতাংশ বল পজেশন ছিল উসমান দেম্বেলেদের। প্যারাগুয়ের খেলা দেখে মনে হয়নি, তারা বলের দখল নিতে চায়। ৬১ মিনিটে বার্কোলাকে তুলে দেসেরি দুয়েকে নামায় ফ্রান্স। পিএসজি’র উইঙ্গার কাট করে বক্সের মধ্যে ঢোকার রাস্তাটা জানান। আর সেটা শুরু করতেই চক্রব্যূহ ভাঙল। বক্সের মধ্যে দুয়েকে ফাউল করে প্যারাগুয়ে। পেনাল্টি থেকে গোল করতে কোনও ভুল করেননি এমবাপে। এই বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ৭টা গোল হয়ে গেল তাঁর।
ফ্রান্স: ১ (এমবাপে)
প্যারাগুয়ে: ০
