Type Here to Get Search Results !

মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায় ৬৫ ফুট গভীর কুণ্ডে খোঁজ মিলল ২৫০ বছর পুরনো শিবলিঙ্গের


মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায় ৬৫ ফুট গভীর কুণ্ডে খোঁজ মিলল ২৫০ বছর পুরনো শিবলিঙ্গের



  হাড়ভাঙা খাটুনি করে কুণ্ড সংস্কারের কাজ চালাচ্ছিল একদল শ্রমিক। ক্লান্ত অবসন্ন শরীরেও নিয়োজিত ছিল কাজে। এমন পরিশ্রমসাধ্য কাজের এক পর্যায়ে যে স্বয়ং দেবদর্শনের (Shivling) সুযোগ এসে যাবে জীবনে, সে সম্পর্কে তিলমাত্র অগবত ছিল না তারা!এ ঘটনা মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার। সেখানকার অতিপরিচিত ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দিরে সারা বছরই লেগে থাকে ভক্তদের ভিড়। ভারতের দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম এই মন্দির। ‘ত্র্যম্বক’ শব্দের অর্থ তিন-নয়নধারী শিব। এই মন্দিরের বিশেষত্ব হল এখানে একটিমাত্র লিঙ্গের মধ্যেই ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর—এই ত্রিদেবের প্রতীকী উপস্থিতি রয়েছে। মহারাষ্ট্রের নাসিক শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ব্রহ্মগিরি পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত এই মন্দিরটিকে গোদাবরী নদীর উৎসস্থল বলে মনে করা হয়।


  এই মন্দিরটির প্রাঙ্গণেই রয়েছে একটি অমৃতকুণ্ড, যার গভীরতা ৬৫ ফুট! বহু বছর ধরে পলি জমেছে এই কুণ্ডের তলদেশে। তাই সাম্প্রতিককালে আর্‌কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে চলছিল এখানকার সংরক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষার কাজ। তখনই পলি ও জলস্তরের নীচ থেকে বেরিয়ে আসে এক শিবলিঙ্গ, যা দেখে স্বাভাবিকভাবেই হতবাক গবেষকমহল। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, অমৃতকুণ্ডটি পেশোয়া আমলের নির্মাণ বলে আন্দাজ করা যায়। এখানকার জল আজও মন্দিরের প্রতিদিনের পূজা ও মহাভিষেকের কাজে ব্যবহৃত হয়। কুণ্ডটি অত্যন্ত গভীর এবং ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সাধারণ ভক্তদের সেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই। ফলে বহু দশক ধরে কুণ্ডটি পলি ও আবর্জনায় ভরাট হতে থাকে, এবং শিবলিঙ্গটি দৃষ্টির আড়ালে চলে যায়। সংরক্ষণমূলক কাজের ফলেই এটি আবার প্রকাশ্যে আসে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.