অভিষেককে 'বাঘরোল' বলে ব্যঙ্গ ঋতব্রতর
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরে প্রায় শেষ হতে চলেছে মমতার হাতে গড়া তৃণমূলের। একে একে সকলেই চলে যাচ্ছে ঋত-তৃণমূলের দিকে। একদল রাজনৈতিক বিশ্লেষক অবশ্য ঋতদের বিজেপিরই 'বি -টিম' বলছেন। একে একে সকলেই মমতার কাছ থেকে সরে যাচ্ছেন অভিষেকের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে। তার প্রতিবাদে বুধবার গর্জে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক লাইভে অভিষেককে বাঘের সঙ্গে তুলনা করেন। বৃহস্পতিবার মমতার সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বাঘের বদলে অভিষেককে ‘বাঘরোল’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রসঙ্গ তুলে ঋতব্রত বলেন, “একটা অদ্ভুত জেলা। একদিক দিয়ে মেট্রো ঢুকছে। আর একদিকে বাঘ ঘুরছে। উনি (মমতা) যাঁকে বাঘ বলেছেন, ঘটনাচক্রে তিনি (অভিষেক)। এই জেলা থেকেই বিপুল ভোটে জেতা সাংসদ। এখানে বাঘ আছে, বাঘরোলও আছে। উনি তো মাঝে মাঝে গুলিয়ে ফেলেন। সেই প্রবণতা আছে। আমার ধারণা বাঘরোল বলতে চেয়েছিলেন। সেটা বলতে গিয়ে বাঘ বলে ফেলেছেন। আর্থিক তছরুপের ক্ষেত্রে ওঁর বিরুদ্ধে যা সব অভিযোগ শোনা যাচ্ছে, তা যদি প্রমাণিত হয়, তবে সে ক্ষেত্রে ওঁকে বাঘ বলতেই হবে।”
অভিষেকের উপর ডিম হামলার স্মৃতি মনে করিয়ে ঋতব্রত আরও বলেন, “বাঘ ডিম খায় বলে তো শুনিনি। বাঘরোল, ভামবিড়াল কিন্তু ডিম চুরি করে খায়। এই বাঘরোল, যাঁকে উনি বাঘ বলছেন, তিনি ডিম খাবেন না বলেই বেরতে চাইছিলেন না।”অভিষেকের বিরুদ্ধে যেন অভিযোগের পাহাড়। কয়লা পাচার, নিয়োগ দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ডিজে মন্তব্য মামলায় এদিন কণ্ঠস্বরের নমুনাও দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বর্তমান পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ভাঙনের জন্য অভিষেককেই দায়ী করেছেন দলত্যাগীরা। যদিও মমতা সে দাবি মানতে নারাজ। তাঁর কথায়, “অভিষেক খারাপ এটা বাহানা।”
