এবার গোটা বাংলায় মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন - সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে বিতর্ক
ইস্কন মানেই তো নিরামিষ। কোনো প্রনিজ প্রোটিন অর্থাৎ মাছ, মাংস, ডিম চলবে না। এখানেই আপত্তি সমস্ত বিরোধী দলের। কলকাতার স্কুলগুলির মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকনকে। তার মেনু নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। এবার আর শুধু কলকাতায় নয়। নদিয়া তারপর রাজ্যের সর্বত্র মিড ডে মিল চালু হবে। প্রশ্ন ওঠার পরেও কেন ইসকনকেই দেওয়া হল মিড ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব, তা নিয়ে তুঙ্গে চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার কলকাতার অ্যালবার্ট রোডের ইসকন মন্দিরের রথযাত্রার অনুষ্ঠানে কারণ ব্যাখ্যা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মিড ডে মিল প্রকল্পে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেকথা মনে করিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে মিড ডে মিল নিয়ে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। শিশুদের খাবার নিয়ে অনিয়ম করা পাপের সমান। আগামী দিনে ইসকন এই দায়িত্ব পালন করে আমাদের শিশুদের কাছে উন্নতমানের পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেবে। সেটাই আমাদের কর্তব্য।”খ্যমন্ত্রী জানান, “আমরা ইসকন, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ এবং মানুষের সেবায় নিয়োজিত অন্যান্য সংগঠনকে সঙ্গে নিয়েই বাংলার নবনির্মাণের পথে এগোতে চাই। সমাজের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “একটা ভাল, পুষ্টিকর আহার পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমাদের স্কুলগুলিতে যে ছাত্রছাত্রীরা মিড ডে মিল গ্রহণ করে, তারা মূলত মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সন্তান। সচ্ছল পরিবারের শিশুদের অধিকাংশই এই প্রকল্পের উপর নির্ভর করে না। তাই অপুষ্টি দূর করতে পুষ্টিকর খাবারের বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।” পূর্বতন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মিড ডে মিল প্রকল্পে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেকথা মনে করিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে মিড ডে মিল নিয়ে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। শিশুদের খাবার নিয়ে অনিয়ম করা পাপের সমান। আগামী দিনে ইসকন এই দায়িত্ব পালন করে আমাদের শিশুদের কাছে উন্নতমানের পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেবে। সেটাই আমাদের কর্তব্য।”
