শঙ্করপুরের নিখোঁজ ট্রালরের খোঁজ পাওয়া গেছে
কয়েকদিনের আপ্রাণ লড়াইয়ের পরে অবশেষে শঙ্করপুরের নিখোঁজ ট্রলারের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে দুর্ভাগ্য হলো ২ জন মৃত নিখোঁজ ১৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘেরচরের কাছে ডুবন্ত অবস্থায় ট্রলারটিকে শনাক্ত করা হয়। রবিবার বনদফতর, গোবর্ধনপুর কোস্টাল থানা, সুন্দরবন পুলিশ, উপকূল রক্ষী বাহিনী এবং স্থানীয় মৎস্যজীবী সংগঠনের যৌথ অভিযানে ট্রলারটি উদ্ধার করে গোবর্ধনপুরের সীতারামপুর উপকূলে নিয়ে আসা হয়েছে। ট্রলার থেকে ২ মৎস্যজীবীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকি ১৪ জন মৎস্যজীবীর কোনও সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।
পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘার শঙ্করপুর বন্দর থেকে গত ২ জুলাই মাছ ধরার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘মা কালী’ ট্রলারটি। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে ট্রলারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকেই পুলিশ, কোস্টগার্ড, বনদফতর ও মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির যৌথ তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। অভিযানে বনদফতরের এসটিআরএফ টিমের চিত্র ভট্টাচার্য, রামগঙ্গা রেঞ্জের রেঞ্জার কোবির হোসেন-সহ বনকর্মী এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলার সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উদ্ধারের পর ট্রলার থেকে ২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, ট্রলার ডুবে যাওয়ার সময় কেউ ভেতরে আটকে পড়ে থাকতে পারেন। তল্লাশি শেষ হলে নিখোঁজদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। অনুমান করা হচ্ছে, দুর্যোগের কারণে ট্রলারটি উল্টে যাওয়ার কারণে মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে পড়ে গিয়ে থাকতে পারেন। ঘটনার খবর পেয়ে শঙ্করপুর থেকে ট্রলারের মালিকপক্ষ কাকদ্বীপ ও নামখানায় পৌঁছেছেন। মৎস্যজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো মৎস্যজীবীদের একাধিক ট্রলার দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে উপকূলের দিকে টেনে নিয়ে আসে।